Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

দেশের তিন বিমানবন্দরে এআই ক্যামেরা, অপরাধী দেখলেই গ্রেপ্তার

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৩:১২

দেশের তিন বিমানবন্দরে এআই ক্যামেরা, অপরাধী দেখলেই গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদারে যুক্ত হয়েছে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের তিনটি বিমানবন্দরে বসানো হয়েছে এআই চালিত সিসিটিভি ক্যামেরা, ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম এবং উচ্চ সংবেদনশীল গোল্ড ডিটেকশন প্রযুক্তি। এর ফলে কোনো অপরাধী যদি বিদেশে পালানোর চেষ্টা করে কিংবা অবৈধ মালামাল নিয়ে দেশে ফেরে, বিমানবন্দরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই শনাক্ত হয়ে যাবে।

নিরাপত্তা সূত্র জানায়, তদন্তকারী কর্মকর্তাদের হাতে অপরাধীর একটি ছবি থাকলেই যথেষ্ট। বিমানবন্দরের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বসানো এআই ক্যামেরা মুহূর্তেই সেই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে অপরাধীকে শনাক্ত করবে এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে সতর্কবার্তা পাঠাবে। শুধু অপরাধী নয়, বিমানবন্দরে কোনো ব্যক্তি অস্বাভাবিক আচরণ করলে বা কোনো পরিত্যক্ত বস্তু পড়ে থাকলেও এআই সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্ক করবে।

চোরাচালানকারীরা স্বর্ণ পাচারে নানা কৌশল অবলম্বন করছে-  তরল, পেস্ট বা শরীরের ভেতরে লুকিয়ে আনা হচ্ছে স্বর্ণ। প্রচলিত স্ক্যানারে এসব শনাক্ত করা কঠিন হলেও শাহজালালে যুক্ত হওয়া আধুনিক গোল্ড ডিটেকশন মেশিন জামাকাপড় বা শরীরের ভেতরে লুকানো ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধাতব বস্তুও শনাক্ত করতে সক্ষম। এতে সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি ছাড়াই চোরাচালান রোধে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল বলেন, “বিমানবন্দরে যেসব সরকারি সংস্থা কাজ করছে, তারা নিজস্ব অর্থায়নে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। এর ফলে গত দু-আড়াই বছরে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে আমরা ঈর্ষণীয় সাফল্য পেয়েছি।”

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগিব সামাদ জানান, “অপরাধী ও চোরাকারবারীদের ধরতে বিমানবন্দরে নিয়োজিত সংস্থাগুলো হাই-টেক ইকুইপমেন্ট দিয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।”

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ রাসেল সরকার বলেন, “বর্তমান যুগে অপরাধীরাও অনেক সচেতন। তাই বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এমন ডিজিটাল নজরদারি প্রশংসনীয়। দেশের অন্যান্য স্পর্শকাতর এলাকাতেও এই প্রযুক্তি বিস্তার করা দরকার।”

Logo