সৌদি আরবে চাকরির জন্য বাধ্যতামূলক তাকামুল পরীক্ষা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩৭
সৌদি আরবে চাকরি করতে চাইলে এখন আর শুধু ভিসা বা নিয়োগপত্র যথেষ্ট নয়। দেশটিতে কর্মসংস্থানের বৈধতা নিশ্চিত করতে শ্রমিক ও কারিগরদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হয়েছে তাকামুল পরীক্ষা। এটি মূলত সৌদি আরবের প্রফেশনাল ভেরিফিকেশন প্রোগ্রামের আওতায় পরিচালিত হয় এবং অনুমোদিত টেকনিক্যাল সেন্টারের মাধ্যমে নেওয়া হয়।
বাংলাদেশেও ইতোমধ্যে কয়েকটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে এই পরীক্ষার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে সৌদি আরবে কাজ করতে ইচ্ছুক শ্রমিকরা নিজ দেশে থেকেই দক্ষতা যাচাইয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
তাকামুল পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো কর্মীদের প্রকৃত দক্ষতা যাচাই করা। ইলেকট্রিশিয়ান, প্লাম্বার, ওয়েল্ডার, কার্পেন্টার কিংবা ক্লিনার; যে পেশাতেই কাজ করতে চান না কেন, এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সার্টিফিকেট অর্জন করতে হবে। পরীক্ষায় পাস করলে কর্মীর দক্ষতা প্রমাণিত হয় এবং সৌদি আরবে নির্দিষ্ট কাজে নিয়োগ পাওয়া সহজ হয়।
শ্রমিকদের জন্য এই সনদ শুধু চাকরির সুযোগই তৈরি করে না, বরং কাজের মান বজায় রাখা ও পদোন্নতির ক্ষেত্রেও সহায়ক হয়। সৌদি আরব সরকার জানিয়েছে, দক্ষতা যাচাই ছাড়া কোনো শ্রমিককে আর কাজের ভিসা দেওয়া হবে না। ফলে যারা বিদেশে কাজ করতে চান, তাদের জন্য তাকামুল পরীক্ষা এখন অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের শ্রমবাজারে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষ সৌদি আরবের মতো দেশে কর্মসংস্থানের জন্য যায়। তাদের বৈধতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে এই পরীক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রবাস জীবনে নিরাপত্তা, চাকরির স্থায়িত্ব এবং উন্নত সুযোগ নিশ্চিত করতে তাকামুল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা এখনই জরুরি।
অতএব, সৌদি আরবে চাকরি করতে আগ্রহী প্রত্যেক শ্রমিকের জন্য তাকামুল পরীক্ষা শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রবাস জীবনের সাফল্যের চাবিকাঠি।
logo-1-1740906910.png)