Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

আগস্টে চালু হচ্ছে প্রবাসী কার্ড

কীভাবে আবেদন করবেন, পাবেন কী কী সুবিধা?

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ২১:২২

কীভাবে আবেদন করবেন, পাবেন কী কী সুবিধা?

প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য প্রবাসী কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এখন আলোচনার বিষয় কবে থেকে চালু হবে এই কার্ড? সেই কার্ড করলে কী কী সুবিধা পাবেন প্রবাসীরা। 

বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, আগস্টের মাঝামাঝি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে প্রবাসী কার্ড। এই কার্ড থাকলে প্রবাসীরা শুধু পরিচয়পত্রই পাবেন না, বরং বিমানবন্দর, চিকিৎসা, ব্যাংকিং, রেমিট্যান্স, সরকারি সেবা, পুনর্বাসনসহ নানা ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। সরকারের লক্ষ্য প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বাড়ানো, আর্থিক নানা সুবিধা নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন সরকারি সেবা সহজ করা।

কীভাবে করবেন প্রবাসী কার্ড?

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পোর্টাল কিংবা 'আমি প্রবাসী' (Ami Probashi) অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে প্রবাসীদের। আবেদন করার সময় পাসপোর্ট, বৈধ ভিসা, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং চাকরির প্রমাণপত্র আপলোড করতে হবে। নির্ধারিত ফি পরিশোধের পর সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের শ্রম কল্যাণ উইং বা বিএমইটি আবেদন যাচাই করবে। যাচাই শেষে আবেদনকারী ডিজিটাল বা ফিজিক্যাল প্রবাসী কার্ড পাবেন।

প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে?

প্রবাসী কার্ডধারীরা দেশে-বিদেশে এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ব্যবহারের সুবিধা, বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথের মাধ্যমে দ্রুত সেবা এবং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপ্লিমেন্টারি মিট অ্যান্ড গ্রিট সুবিধা পাবেন। ‘ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের’ মাধ্যমে ইন্টারন্যাশনাল পেমেন্ট ও ব্যাংকিং সুবিধাও পাওয়া যাবে। তাছাড়া ফ্লাইট টিকিট, হোটেল বুকিংয়ে ডিসকাউন্ট, দেশে-বিদেশে ন্যায্যমূল্যে গাড়ি বুকিং ও সিগনেচার কার্ডে ‘এয়ারপোর্ট পিক অ্যান্ড ড্রপ’ সেবা, স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও থাকবে বিশেষ সুবিধা। সরকারি হাসপাতালে প্রবাসীদের জন্য আলাদা সেবা বুথ এবং বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় বিশেষ ছাড় পাওয়া যাবে। এছাড়া কার্ডধারী প্রবাসী বিদেশে মারা গেলে বিনা খরচে মরদেহ দেশে আনার সুবিধা এবং প্রবাসফেরতদের পুনর্বাসন ও বীমা সুবিধাও থাকবে।

আর্থিক সুবিধার মধ্যে রয়েছে রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড পয়েন্ট, সহজে ঋণ পাওয়ার সুযোগ, ক্রেডিট স্কোরিং, কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি দেশে টাকা পাঠানো এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা। একই সঙ্গে জমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি, ইউটিলিটি সংযোগ, লাইসেন্স, বৈদেশিক বিনিয়োগ, পাসপোর্ট, এনআইডি, কনস্যুলার সেবাসহ বিভিন্ন সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

কবে উদ্বোধন হবে প্রবাসী কার্ড কার্যক্রম?

আবারো জানিয়ে দিই, আগস্টের মাঝামাঝি প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করা হবে। ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ৫০ হাজার এবং ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে ২ লাখ প্রবাসীর হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রবাসীকল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী কার্ডের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

Logo