Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

নিয়ম-নীতির বালাই নেই বিমানবন্দরে; স্বজন-দর্শনার্থীর ভিড়

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ জুলাই ২০২৬, ১১:২৩

নিয়ম-নীতির বালাই নেই বিমানবন্দরে; স্বজন-দর্শনার্থীর ভিড়

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আগমনী টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ এর ক্যানোপিতে প্রতিদিনই শত শত মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে। যাত্রীদের স্বজন ছাড়াও গাড়ির দালাল, সিএনজি চালক, এমনকি বিমানবন্দর দেখতে আসা সাধারণ মানুষও অবাধে প্রবেশ করছেন। ফলে দেশের প্রধান বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, একজন যাত্রীর সঙ্গে চার-পাঁচজন স্বজন প্রবেশ করছেন। আবার কেউ কেউ শুধু বিমানবন্দর দেখতে এসেছেন। গাড়ির দালাল ও সিএনজি চালকরা ভেতরে প্রবেশ করে যাত্রীদের কাছে ভাড়া প্রস্তাব দিচ্ছেন। অথচ নিয়ম অনুযায়ী একজন যাত্রীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন স্বজন প্রবেশ করতে পারবেন।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ নির্দেশনা দিয়েছিল, প্রতি যাত্রীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন সঙ্গী প্রবেশ করতে পারবেন। যানজট নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে এ নির্দেশনার কোনো প্রয়োগ দেখা যায় না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্বে থাকলেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্যানোপি অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকা। এখানে অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। যাত্রী বাইরে এলে একজন স্বজন তাকে নিতে পারেন, কিন্তু দলে দলে মানুষের প্রবেশ ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহেদুল আলম বলেন, “বিমানবন্দরকে যত ঝুঁকিমুক্ত রাখা যায়, ততই ভালো। নিরাপত্তা সুসংহত হলে আমাদের আন্তর্জাতিক মানও উন্নত হবে।”

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মো. আসিফ ইকবাল জানিয়েছেন, নিরাপত্তাকর্মীদের উপস্থিতিতে এত মানুষ কীভাবে ভেতরে প্রবেশ করছে তা খতিয়ে দেখা হবে। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ বলেন, “আমরা প্রতিনিয়ত জনসাধারণকে ক্যানোপির ভেতরে না আসতে বলছি। কিন্তু তারা কথা শুনতে চান না। তারপরও আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”

এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ বশির উদ্দীন বলেন, “যাত্রীর সঙ্গে সর্বোচ্চ দুজন স্বজন প্রবেশের নিয়ম আমরা বাস্তবায়নের চেষ্টা করি। ভবঘুরে, ভিক্ষুক ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধেও নিয়মিত অভিযান চলছে।”

Logo