Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

কেপ ভার্দের জাতীয় দলের জার্সিতে বাংলাদেশ

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১১

কেপ ভার্দের জাতীয় দলের জার্সিতে বাংলাদেশ

ফিফা বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ এখনো মাঠে নামতে না পারলেও বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ফুটবল আসরে দেশের উপস্থিতি দিন দিন আরো দৃশ্যমান হচ্ছে। এবার কেপ ভার্দে জাতীয় ফুটবল দলের অফিসিয়াল ম্যাচ জার্সি তৈরি করেছে বাংলাদেশের একটি কারখানা।

নিউ ইয়র্কভিত্তিক ক্রীড়া ব্র্যান্ড ‘ক্যাপেলি স্পোর্টস’-এর জন্য ঢাকার তুরাগে অবস্থিত ‘গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বলিং লিমিটেড’ (জিএমএ) প্রায় পাঁচ হাজার অফিসিয়াল ম্যাচ জার্সি তৈরি করেছে। শুধু খেলোয়াড়দের জন্য নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সমর্থকদের জন্য আরে প্রায় ১৩ হাজার ফ্যান জার্সিও রপ্তানি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে, দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক সরাসরি এ শিল্পে যুক্ত। গত দুই দশকে সাধারণ পোশাকের পাশাপাশি উচ্চমূল্যের স্পোর্টসওয়্যার ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পোশাক উৎপাদনে বাংলাদেশের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড অ্যাডিডাস, নাইকি, পুমা, হামেল, নিউ ব্যালেন্স, ম্যাক্রন ও ক্যাপেলি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে স্পোর্টস অ্যাপারেল উৎপাদন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন জাতীয় দল ও ক্লাবের জার্সি, ট্রেনিং কিট, শর্টস, জ্যাকেট তৈরি হয়।

বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শরীফুল আলম বলেছেন, “বিশ্বকাপের মতো মর্যাদাপূর্ণ আসরে বাংলাদেশে তৈরি জার্সি ব্যবহৃত হওয়া দেশের শিল্প খাতের জন্য গর্বের বিষয়।” তিনি আরো জানান, এ ধরনের আন্তর্জাতিক অর্ডার রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের বৈশ্বিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, “বিশ্বকাপে বাংলাদেশে তৈরি জার্সি ব্যবহৃত হওয়া আমাদের সক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক আস্থার প্রতিফলন। এটি শুধু বাণিজ্যিক সাফল্য নয়, বরং দেশের ব্র্যান্ডিংয়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।”

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিশ্বকাপসহ বড় টুর্নামেন্টের আগে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো বিপুল পরিমাণ অর্ডার দেয়। এতে বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে উৎপাদন বাড়ে, শ্রমিক থেকে শুরু করে প্রকৌশলী, মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা, প্যাকেজিং ও পরিবহন খাতেও কর্মচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এর ফলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

Logo