Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭

শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনায় ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা সংসদে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, এই কেন্দ্র স্থাপিত হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত তথ্য, দক্ষতা উন্নয়ন এবং চাকরি পাওয়ার সুযোগ আরো কার্যকর ও প্রাতিষ্ঠানিক হবে।

টাঙ্গাইল-৬ আসনের এমপি রবিউল আওয়ালের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সেন্টার স্থাপিত হলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।”

প্রধানমন্ত্রী সংসদে আরো জানান, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে বাজার সম্প্রসারণের কাজ চলছে। থাইল্যান্ডের সঙ্গে কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত চুক্তির খসড়া ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। মালয়েশিয়া, ওমান, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বন্ধ থাকা বা সংকুচিত শ্রমবাজার পুনরায় চালুর জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে সে দেশের শ্রমবাজারের চাহিদা নিরূপণ করে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, নর্থ মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, মরিশাস ও পর্তুগালসহ ইউরোপের যেসব দেশে দক্ষ কর্মী পাঠানোর সুযোগ রয়েছে, সেখানে ভিসা সেন্টার না থাকায় ঢাকায় ভিসা সেন্টার স্থাপনের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলছে। এটি বাস্তবায়িত হলে বিদেশে কর্মী পাঠানো আরো সহজ হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় মৌসুমী কর্মী পাঠাতে স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে বোয়েসেলের মাধ্যমে মৌসুমী কর্মী পাঠানো শুরু হয়েছে।

জাপানে কর্মী পাঠানোর জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ‘জাপান সেল’ গঠন করা হয়েছে। এই সেলের সঙ্গে ৯৬টি সংগঠন, ২০০টির বেশি বেসরকারি জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ৬০টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারকে একক কাঠামোয় আনা হয়েছে। বিএমইটির আওতায় চাহিদাভিত্তিক ভাষা কোর্স চালু এবং প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ৬০টি টিটিসিতে জাপানি, ইংরেজি, চায়নিজ ও কোরিয়ান ভাষা কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে নতুন ভাষা শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রমও চলছে।

Logo