প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) বাংলাদেশের নবনিযুক্ত চিফ অব মিশন ড. লরা টম বন্ড। মন্ত্রীর অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং অভিবাসীদের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা আরো জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী আইওএমের নতুন চিফ অব মিশনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে সংস্থাটির ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অভিবাসন নীতি প্রণয়ন এবং গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আইওএমের কারিগরি সহায়তা প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতে জাতীয় ডায়াসপোরা নীতি এবং প্রত্যাবর্তনকারীদের পুনঃএকত্রীকরণ নীতি প্রণয়নেও উভয় পক্ষ যৌথভাবে কাজ করবে।
মন্ত্রী আরো জানান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ওআইডিএফ ফ্রেমওয়ার্ক চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি সমন্বিত অভিবাসী তথ্য ও সেবা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে অভিবাসন সেবাকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। তিনি চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, আইএফএডির অর্থায়নে ‘ডায়াসপোরা প্রকল্প’, বিশ্বব্যাংক ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে ‘রেইজ প্রকল্প’ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে চলমান প্রকল্পগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবর্ণ সময় পার করছে। বিপুল জনশক্তিকে বৈশ্বিক চাহিদার উপযোগী করে গড়ে তুলতে আইওএমের কৌশলগত সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ড. লরা টম বন্ড বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন বাস্তবায়নে বাংলাদেশ শীর্ষস্থানীয় চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে। তিনি আরো বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি, পুনঃএকত্রীকরণ কর্মসূচি, নিরাপদ অভিবাসন এবং নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি প্রশংসনীয়। আইওএম ভবিষ্যতেও এসব ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
সভায় অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী, জিনাত আরা এবং মন্ত্রণালয় ও আইওএম বাংলাদেশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
logo-1-1740906910.png)