Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ তিনে উঠে এলো ব্র্যাক ব্যাংক

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ১৪:৩৬

রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ তিনে উঠে এলো ব্র্যাক ব্যাংক

চলতি ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে রেমিট্যান্স আহরণে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। রেমিট্যান্স আহরণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে জুনের সর্বশেষ তালিকায় দেশের সব ব্যাংকের মধ্যে ৩য় স্থানে উঠে এসেছে ব্র্যাক ব্যাংক। 

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংকটির রেমিট্যান্স প্রবাহ ৭৫ শতাংশ বেড়ে ১.৮৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। ২০২৫ সালের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ১.০৬২ বিলিয়ন ডলার।

ব্যাংকটির মাসভিত্তিক তথ্য ঘেটে দেখা যায় প্রায়, প্রতিটি মাসেই রেমিট্যান্স আহরণে শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় ছিল ব্র্যাক ব্যাংকের।

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ২৩৮ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসে, যা ২০২৫ সালের একই মাসে ছিল ১৬৩ মিলিয়ন ডলার। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ২২৬ মিলিয়ন ডলার, যা ২০২৫ এর ফেব্রুয়ারিতে ছিল ১৩৭ মিলিয়ন। আর গেল ছয় মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে মে মাসে ৪১০ মিলিয়ন ডলার। 

আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা মনে করছেন, নতুন রেমিট্যান্স করিডোরে এক্সচেঞ্জ হাউস যুক্ত করা, বিদ্যমান এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা, ছুটির সময় ডিলিং রুম, অপারেশন্স, প্রযুক্তি ও ব্যবসা বিভাগের সমন্বিত কার্যক্রম এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন; এসব উদ্যোগ রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

তাছাড়া বিশ্বের প্রায় ৯০টিরও বেশি গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ পার্টনার ও রিসিট্যান্স এজেন্সির মাধ্যমে প্রবাসীরা সরাসরি দেশে অর্থ পাঠানোর সুযোগ পাচ্ছেন এখন। আর দেশজুড়ে ৩১০টি শাখা, উপ-শাখা এবং ১,১১১টির বেশি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট থেকে প্রবাসীর স্বজনরা ক্যাশ সুবিধা সংগ্রহ করতে পারেন। প্রবাসীদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে তারা ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের বৃহত্তম রেমিট্যান্স ব্যাংকে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

অন্যদিকে, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত রেমিট্যান্স আহরণে দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে আইবিবি পিএলসি, যার সংগ্রহ ৩.২২৬ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ২.৪১৮ বিলিয়ন ডলার নিয়ে। ১.৮৫৭ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ব্যাংকিং খাতের বৈদেশিক মুদ্রার তারল্য বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে নতুন রেমিট্যান্স করিডোর সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল সেবার উন্নয়ন অব্যাহত থাকলে আগামী মাসগুলোতেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

Logo