Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বিদেশগামীদের ভাগ্য বদলাবে কি এবার?

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:৪৫

বিদেশগামীদের ভাগ্য বদলাবে কি এবার?
বিদেশগামীদের ভাগ্য বদলাবে কি এবার?
বিদেশগামীদের ভাগ্য বদলাবে কি এবার?
বিদেশগামীদের ভাগ্য বদলাবে কি এবার?

বিদেশে কাজের স্বপ্ন দেখেন হাজারো মানুষ। তাদের প্রথম ভরসার নাম প্রায়ই একজন দালাল বা সাব-এজেন্ট। অথচ অভিবাসন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। এই বাস্তবতা বদলাতে কী করা যায়- এ নিয়েই সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হলো এক সময়োপযোগী ‘পলিসি ব্রেকফাস্ট অ্যান্ড ডায়ালগ’।

সংলাপটি আয়োজন করে রেফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিট (রামরু), দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশন এবং এফসিডিও (FCDO)। এতে অংশ নেন বায়রার বর্তমান ও সাবেক নেতৃত্ব, দেশের শীর্ষস্থানীয় রিক্রুটিং এজেন্সির প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং অভিবাসন খাতের বিশেষজ্ঞরা।

আলোচনায় সাব-এজেন্টদের নিবন্ধন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি, ডিজিটাল আইডেন্টিফিকেশন (স্মার্ট কার্ড ও কিউআর কোড), আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতে বাস্তবসম্মত ও ব্যবসাবান্ধব নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রামরুর উপদেষ্টা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার। সভাপতিত্ব করেন রামরুর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার ও নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. তাসনিম সিদ্দিকী।

সংলাপের সূচনা পর্বে রামরুর পরিচালক (কর্মসূচি) মেরিনা সুলতানা প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। এরপর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিমনুজ্জামান “রিক্রুটিং এজেন্ট লাইসেন্স এবং সাব-এজেন্ট নিবন্ধন ও আচরণ বিধিমালা, ২০২৫”-এর আলোকে বিদ্যমান দুর্বলতা, বাস্তবায়নগত চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য নীতিগত সুপারিশ উপস্থাপন করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, অভিবাসন প্রক্রিয়ায় সাব-এজেন্টরা বাস্তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা গ্রামীণ ও শহুরে পর্যায়ে বিদেশগামীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখেন। কিন্তু তাদের কাজের কোনো আনুষ্ঠানিক কাঠামো নেই। ফলে প্রতারণা, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং অনিয়মের সুযোগ তৈরি হয়।

সংলাপে প্রস্তাব করা হয়, সাব-এজেন্টদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে হবে। তাদের জন্য একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, যেখানে প্রতিটি সাব-এজেন্টের তথ্য থাকবে। ডিজিটাল আইডেন্টিফিকেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম স্বচ্ছ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে আর্থিক লেনদেন ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে করতে হবে, যাতে প্রতারণার সুযোগ না থাকে।

Logo