বাংলাদেশ ও আজারবাইজানে স্থায়ী দূতাবাস খোলার সিদ্ধান্ত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১০:৩৯
বাংলাদেশ ও আজারবাইজান স্থায়ী দূতাবাস খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৮ জুন বিকেলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেইহুন বায়রামভ ফোনে এক কথোপকথনে এ সিদ্ধান্ত নেন।
আলাপের শুরুতে আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের কূটনৈতিক সাফল্যকে গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
কথোপকথনে দুই দেশের মন্ত্রীই তাদের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো জোরদার করার ব্যাপারে দৃঢ় ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তারা নিজ নিজ দেশে স্থায়ী কূটনৈতিক মিশন (দূতাবাস) খোলার বিষয়ে একমত হন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও আজারবাইজানের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরো গভীর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা অনেক বেশি, যা স্থায়ী দূতাবাস খোলার মাধ্যমে আরো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
আজারবাইজান দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ, যার জ্বালানি সম্পদ ও ভৌগোলিক অবস্থান আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি উদীয়মান অর্থনীতি, যার বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে নতুন বাজার খোঁজার প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে স্থায়ী দূতাবাস খোলার সিদ্ধান্তকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজারবাইজানের সঙ্গে জ্বালানি, বাণিজ্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বাড়াতে পারবে। একই সঙ্গে মধ্য এশিয়া ও ককেশাস অঞ্চলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক উপস্থিতি আরো শক্তিশালী হবে।
logo-1-1740906910.png)