Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বাজেটে ৪ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে করার প্রস্তাব

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৮:০৩

বাজেটে ৪ বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে করার প্রস্তাব

বাংলাদেশের এভিয়েশন নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করা, আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজতর করার লক্ষ্যে সরকার চারটি বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে উন্নীত করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ মহাপরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

প্রস্তাব অনুযায়ী, রাজশাহী, কক্সবাজার, যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে। এর মাধ্যমে আন্তঃসীমান্ত আকাশপথের যোগাযোগ সম্প্রসারণ, আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করা এবং বিশ্ববাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়ানো হবে।

নতুন বাজেটে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জন্য ১ হাজার ৮৮৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা বিদায়ী অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের (১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা) চেয়ে বেশি হলেও চলতি বছরের মূল বরাদ্দের (২ হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা) তুলনায় কিছুটা কম।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো দেশজুড়ে একটি সমন্বিত এভিয়েশন কানেক্টিভিটি গ্রিড প্রতিষ্ঠা করা। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটকে আধুনিক যাত্রী ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে লজিস্টিক খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একটি সমন্বিত ডিজিটাল লজিস্টিক প্ল্যাটফর্ম চালু করা হবে, যা পণ্য পরিবহন সহজ করবে, সরবরাহ শৃঙ্খল শক্তিশালী করবে এবং সামগ্রিক বাণিজ্য দক্ষতা বাড়াবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, এভিয়েশন সেক্টর আধুনিকায়নে ইতোমধ্যে বেশ কিছু অবকাঠামোগত প্রকল্পের কাজ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে যশোর ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরের টার্মিনাল সুবিধা সম্প্রসারণ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় চালু করা, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের রানওয়ে উন্নয়ন।

তিনি আরো বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কাজ সম্পন্ন হলে যাত্রী ব্যবস্থাপনা ক্ষমতা ও সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক পরিবহন ও বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরো সুদৃঢ় হবে। আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়বে, নতুন বাজারে প্রবেশ সহজ হবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে।

Logo