ইরাকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক মোহাম্মদ শ্রাবনের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ২৯ মে ভোরে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন এবং নিহতের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শ্রাবনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, প্রবাসীদের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সর্বদা সচেষ্ট। তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং পরিবহন ও দাফন ব্যয়ের জন্য ৩৫ হাজার টাকা, বিশেষ অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকা এবং সরকারের পক্ষ থেকে অন্যান্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বাকুলতলা গ্রামের মোহাম্মদ নলি মিয়ার ছেলে শ্রাবন গত ১০ বছর ধরে বাগদাদে বসবাস ও কাজ করছিলেন। সম্প্রতি বাগদাদে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি নিহত হন। ২৭ মে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের টিকে-০৮৪৩ ফ্লাইটে মরদেহ পাঠানো হয়, যা তুরস্কে যাত্রাবিরতির পর ঢাকায় এসে পৌঁছায়।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ নিহতের বাবা, স্ত্রী ও মেয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই ঘটনা আবারো প্রমাণ করে, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা নানা ঝুঁকির মধ্যে কাজ করেন। তাদের ত্যাগ দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করলেও জীবন ঝুঁকির মূল্য দিতে হয় অনেক সময়। সরকার নিহত প্রবাসীদের পরিবারকে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে।
logo-1-1740906910.png)