ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব আঞ্চলিক শান্তিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ২৩:৪৮
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়ে বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এই অগ্রগতি ধরে রাখতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া জরুরি।
২ মে রাজধানীর উত্তরায় গ্যালারি কায়াতে শিল্পী রনজিৎ দাসের একক প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সীমান্ত সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধিতে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগ ইতোমধ্যেই ফলপ্রসূ হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার আরো বলেন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা এবং নিয়মিত সংলাপের মাধ্যমেই দুই দেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণ বাড়লে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে পাওয়ান বঢ়ে বলেন, এই অগ্রগতিতে ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উভয় দেশের যৌথ উদ্যোগ দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক সহযোগিতা আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাই বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো কার্যকর ও টেকসই করতে সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পাওয়ান বঢ়ে বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক কেবল ভৌগোলিক অবস্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানুষের আন্তসম্পর্ক এই বন্ধনকে আরো গভীর করেছে। এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, যোগাযোগ এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে উভয় দেশ কাজ করছে।
প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিল্পী ও দর্শকের মধ্যে ভাবের আদান-প্রদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। গ্যালারি কায়ার পরিচালক গৌতম চক্রবর্তী শিল্পী রনজিৎ দাসের কাজকে সমকালীন শিল্পভুবনে শক্তিশালী উপস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করেন।
logo-1-1740906910.png)