বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে ১৪টি নতুন অত্যাধুনিক বিমান কেনার চুক্তি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১০টি ওয়াইড-বডি বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ন্যারো-বডি ৭৩৭ ম্যাক্স। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই চুক্তি তাদের রূপান্তর যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
চুক্তিটি সরকারের “বাংলাদেশ ফার্স্ট” ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই ভিশনের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধি এবং যাত্রীদের উন্নত অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা। নতুন বিমানগুলো জ্বালানি সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হওয়ায় বহর হবে আধুনিক, কার্যকারিতা বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ সম্ভব হবে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, এই চুক্তি শুধু বিমান খাতেই নয়, পর্যটন খাতের প্রবৃদ্ধি, অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতেও অবদান রাখবে। তিনি আরো বলেন, নতুন বিমান যুক্ত হওয়ায় যাত্রীদের জন্য নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত হবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স একটি গুরুত্বপূর্ণ লাইফলাইন হিসেবে কাজ করে। নতুন বিমানগুলো প্রবাসীদের যাতায়াতকে আরো সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করবে।
বিমান কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই চুক্তি বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতকে আঞ্চলিক হাব হওয়ার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নেবে। আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরো শক্তিশালী হবে।
বোয়িংয়ের সঙ্গে এই চুক্তি বাংলাদেশের বিমান পরিবহন খাতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আধুনিক বিমান যুক্ত হওয়ায় বহর হবে আরো শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারিত হবে এবং দেশের অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
logo-1-1740906910.png)