মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা নিয়ে গুজব নয়, যাচাইকৃত তথ্যই নির্ভরযোগ্য
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৪
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে সম্প্রতি নানা গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে কিছু অসাধু দালাল ভুয়া তথ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইকৃত তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে নীতিগত পর্যায়ে আলোচনা চলছে এবং প্রক্রিয়া পুনরায় চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তবে এখনো চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের নির্দিষ্ট তারিখ সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
রিক্রুটিং এজেন্সিদের সংগঠন বায়রা জানিয়েছে, নতুন শ্রমিক নেওয়ার আগে মালয়েশিয়া অবৈধভাবে অবস্থানরত শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া জোরদার করছে। প্রকৃত চাহিদা নির্ধারণের পরই নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে। চুক্তি সম্পন্ন হলে সেক্টর, কোটা ও নিয়ম-কানুন নির্ধারণ করা হবে। এরপর সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করবে। একইভাবে নির্ধারিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা দেওয়া হবে, যেখানে বাধ্যতামূলকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে হবে। অন্য কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না।
খরচের বিষয়েও সরকারিভাবে ঘোষণা আসবে। ভিসা ও প্রসেসিং সংক্রান্ত সব ফি নির্ধারণ করা হবে। মালয়েশিয়ান কোম্পানি থেকে কর্মী চাহিদা আসার পর নির্দিষ্ট কোটা অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এবং মেডিকেল, ডকুমেন্টেশনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
সম্ভাব্য কাজের ক্ষেত্র হিসেবে প্লান্টেশন, নির্মাণ, ফ্যাক্টরি, কৃষি ও সার্ভিস সেক্টরে কর্মী নেওয়া হতে পারে। তাই আগ্রহীদের এখনই পাসপোর্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রস্তুত রাখা, অভিজ্ঞতার সনদ সংগ্রহ, দক্ষতা উন্নত করা এবং বেসিক ইংরেজি বা মালয় ভাষা শেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সরকারিভাবে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো টাকা লেনদেন না করা। “গ্যারান্টি ভিসা” বা “আগে বুকিং” ধরনের প্রতারণামূলক প্রলোভনে না পড়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। শুধু সরকার অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমেই আবেদন করতে হবে এবং সর্বশেষ আপডেট জানতে সরকারি সূত্র অনুসরণ করতে হবে।
logo-1-1740906910.png)