Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্স নিতে আগ্রহী লিবিয়া

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪২

বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্স নিতে আগ্রহী লিবিয়া

লিবিয়া সরকার বাংলাদেশ থেকে দক্ষ চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। দেশটির হাসপাতাল ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বাংলাদেশি পেশাজীবীদের নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

গত ১৬ এপ্রিল লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. হাবীব উল্লাহর সঙ্গে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আল-গৌজের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আগ্রহের কথা জানানো হয়। ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও লিবিয়ার মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। অতীতে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী লিবিয়ার স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। বর্তমানে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক পেশাজীবী বিভিন্ন হাসপাতালে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, দীর্ঘদিন বেতন-ভাতা অনিয়মিত থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সরা দায়িত্বে অবিচল থেকেছেন। এতে লিবিয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও সাধারণ জনগণের কাছে তাদের প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে। তিনি বর্তমানে কর্মরত বাংলাদেশি পেশাজীবীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত করায় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তবে কয়েকজনের বেতন-ভাতা এখনো প্রশাসনিক ও আর্থিক জটিলতার কারণে নিয়মিত হয়নি বলে উল্লেখ করেন এবং দ্রুত সমাধানের অনুরোধ জানান।

এছাড়া রাষ্ট্রদূত দেশে প্রত্যাবর্তনকারীসহ সব বাংলাদেশি পেশাজীবীর বকেয়া বেতন দ্রুত পরিশোধ, বর্তমান এক্সচেঞ্জ রেট অনুযায়ী চুক্তি নবায়ন, চুক্তিভিত্তিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আল-গৌজ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠার প্রশংসা করেন। তিনি বেতন-ভাতা প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জানান, ইতোমধ্যে মাসিক বেতন নিয়মিত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়গুলো সমাধানে মন্ত্রণালয় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। দেশে প্রত্যাবর্তনকারীসহ সব বাংলাদেশি পেশাজীবীর বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য একটি বিশেষ কমিটি কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

Logo