মালয়েশিয়াসহ বন্ধ থাকা শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালু এবং বিদেশগামী কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মালয়েশিয়ার বন্ধ বাজার দ্রুত খোলার পাশাপাশি থাইল্যান্ডসহ নতুন নতুন দেশে জনশক্তি রপ্তানির জটিলতা দূর করতে কাজ চলছে। বিশেষ করে কিছু দেশে নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের কারণে বিদেশ যাওয়ার খরচ অনেক বেড়ে গেছে। এই খরচ নিয়ন্ত্রণে সরকার একটি নির্দিষ্ট ‘ব্যয় কাঠামো’ তৈরি করছে।
প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেন, সরকার নির্ধারিত ব্যয় চূড়ান্ত করা হলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধ হবে এবং জনশক্তি খাতের শক্তিশালী সিন্ডিকেট ভেঙে ফেলা সম্ভব হবে। এতে সাধারণ কর্মীরা অনেক কম খরচে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
মালয়েশিয়ার বাজার প্রসঙ্গে তিনি জানান, দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) আলোচনা চলছে এবং খুব দ্রুতই ইতিবাচক ফলাফল আসবে। এর মাধ্যমে দেশটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী পাঠানোর পথ প্রশস্ত হবে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি বাংলাদেশের শ্রমবাজারে বড় কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বরং যুদ্ধ-পরবর্তী দেশ পুনর্গঠনের কাজে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা আরো বাড়তে পারে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে কর্মীদের ভাষা ও কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয়।
logo-1-1740906910.png)