Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ইরান যুদ্ধের আঁচে প্রবাসী আয়ে শঙ্কা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ মার্চ ২০২৬, ২৩:৫২

ইরান যুদ্ধের আঁচে প্রবাসী আয়ে শঙ্কা

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের প্রভাব এখনো সরাসরি পড়েনি বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ে। বরং রোজা ও ঈদ উপলক্ষে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিদেশি মুদ্রার এই গুরুত্বপূর্ণ উৎসে ধাক্কা লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।  

প্রবাসীরা জানিয়েছেন, কাজ বা বেতন নিয়ে আপাতত কোনো ভয় নেই। তাদের মূল উদ্বেগ যুদ্ধের মেয়াদ ও ব্যাপ্তি নিয়ে। কারণ, বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের প্রায় ৬০ শতাংশের বেশি আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। সেখানে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে কর্মসংস্থান ও অর্থপ্রবাহে প্রভাব পড়তে পারে।  

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স আসে ২৫২ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে এসেছে ৩২ কোটি ৮৮ লাখ, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩৩ কোটি ৪৯ লাখ, কুয়েত থেকে ১৪ কোটি ১১ লাখ, ওমান থেকে ১২ কোটি ৩৭ লাখ, কাতার থেকে ১০ কোটি, বাহরাইন থেকে ৫ কোটি ৬২ লাখ, জর্ডান থেকে ১ কোটি ৪১ লাখ এবং ইরাক থেকে ৬০ লাখ ডলার।  

গত মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০২ কোটি ৭ হাজার ডলার, যা আগের বছরের ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। মার্চের প্রথম ১৪ দিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে ২২০ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। ঈদের আগে দৈনিক গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলার।  

তবে যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ জাহাজপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এতে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের মতো দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়বে এবং প্রবাসী আয়ে ধাক্কা লাগতে পারে।  

প্রবাসীরা জানিয়েছেন, বেতন ঠিকঠাক পেলে দেশে টাকা পাঠাতে সমস্যা হবে না। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেককে কারখানার ভেতরে থাকতে বলা হয়েছে। কাতারে বসবাসরত এক প্রবাসী জানান, সরকার অ্যাপের মাধ্যমে মিসাইল হামলার সতর্কবার্তা দিচ্ছে। তবে ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠাতে কোনো সমস্যা হয়নি। 

Logo