ছবি - এআই দিয়ে বানানো
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও ধীরে ধীরে ফ্লাইট চালু করছে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স। তবে ফ্লাইটের সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে এবং যাত্রীদের আগে থেকেই বুকিং নিশ্চিত করে বিমানবন্দরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস
এয়ার ইন্ডিয়া এবং এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ১০ মার্চ জেদ্দা রুটে যাওয়া-আসা মিলিয়ে মোট ১৪টি ফ্লাইট চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস মাসকাটের সঙ্গে তাদের বিভিন্ন গন্তব্যে আরো ১৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন গন্তব্যে অতিরিক্ত ৩২টি বিশেষ ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে সব কিছু নির্ভর করবে সার্বিক নিরাপত্তার ওপর।
ইতিহাদ এয়ারওয়েজ
১০ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত সীমিত পরিসরে ফ্লাইট সূচি ঘোষণা করেছে ইতিহাদ এয়ারওয়েজ। আবুধাবি থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে।
তবে যাত্রীদের বুকিং নিশ্চিত না হলে বা সরাসরি বার্তা না পেলে বিমানবন্দরে না যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।
এমিরেটস
আংশিকভাবে আকাশপথ চালু হওয়ায় এমিরেটস সীমিত ফ্লাইট চালাচ্ছে। দুবাই হয়ে অন্য গন্তব্যে যাত্রীদের যাত্রা অনুমোদন দেওয়া হবে তখনই, যখন সংযোগ ফ্লাইট চালু থাকবে। বুকিং নিশ্চিত না হলে যাত্রীদের বিমানবন্দরে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ফ্লাইদুবাই
ফ্লাইদুবাইও সীমিত রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বুকিং করা যাত্রীরা অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই ৩০ দিনের মধ্যে অন্য ফ্লাইটে যাত্রার সময় পরিবর্তন করতে পারবেন। দুবাই হয়ে সংযোগ ফ্লাইট চালু থাকলে তবেই যাত্রী নেওয়া হবে।
এয়ার অ্যারাবিয়া
এয়ার অ্যারাবিয়া সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সীমিত সংখ্যক ফ্লাইট আবার চালু করেছে। যাত্রীরা ভ্রমণ সংস্থা বা মোবাইল সেবার মাধ্যমে নতুন করে বুকিং করতে পারবেন। আগের বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীরাও চাইলে নতুন করে সময় পরিবর্তন করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত সীমিত ফ্লাইট চালু থাকবে। তাই যাত্রীদের ভ্রমণের আগে নিজেদের ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
logo-1-1740906910.png)