প্রবাসী হজযাত্রীদের স্বাস্থ্যসনদ ও টিকার তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:০৩
২০২৬ সালের পবিত্র হজ পালনের লক্ষ্যে নিবন্ধিত প্রবাসী বাংলাদেশি হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকা গ্রহণ নিয়ে জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ১ মার্চ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে প্রবাসীদের নিজ নিজ অবস্থানরত দেশের নির্ভরযোগ্য হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। একই সঙ্গে মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জা টিকা গ্রহণ করে তার প্রমাণপত্র জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় গাফিলতি হলে হজের চূড়ান্ত ভিসার আবেদনে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে নিবন্ধিত প্রবাসীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট এবং টিকার প্রমাণপত্র একটি নির্দিষ্ট অঙ্গীকারনামাসহ আগামী ৬ মার্চের মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ই-মেইলে পাঠাতে হবে। একই তথ্য সংশ্লিষ্ট হজ এজেন্সির কাছেও জমা দিতে হবে। এরপর ওই এজেন্সি তাদের নিজস্ব প্যাডে অঙ্গীকারনামা স্বাক্ষর করে এবং লিড এজেন্সির প্রতিস্বাক্ষর গ্রহণ করে সব নথিপত্র আগামী ৮ মার্চের মধ্যে সরাসরি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ পরিচালকের দপ্তরে দাখিল করবে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল এবং ম্যানুয়াল উভয় পদ্ধতিতেই যাচাই করা হবে।
অন্যদিকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধিত প্রবাসী হজযাত্রীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকার রিপোর্টগুলো নির্দিষ্ট ই-মেইল ঠিকানায় পাঠানোর পাশাপাশি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ই-মেইলে সরাসরি দাখিল করতে হবে। জমা পড়া সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত চিকিৎসকরা আগামী ১০ মার্চের মধ্যে ই-হজ সিস্টেমে তথ্যগুলো এন্ট্রি করবেন এবং হজযাত্রীদের জন্য ই-হেলথ সার্টিফিকেট প্রদান করবেন। এই সার্টিফিকেটটি হজের ভিসা পাওয়ার জন্য একটি অপরিহার্য দলিল হিসেবে গণ্য হবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১১ মার্চের মধ্যে সৌদি আরবের নুসুক মাসার সিস্টেমে সকল হজযাত্রীর ভিসার আবেদন সম্পন্ন করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও টিকার কাজ শেষ করা অত্যন্ত জরুরি। ধর্ম মন্ত্রণালয় প্রবাসীদের অনুরোধ জানিয়েছে যেন তারা শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে দ্রুততম সময়ে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রবাসীদের যাতায়াত ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রদান করছে।
logo-1-1740906910.png)