Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ভারতীয় মেডিকেল ভিসার আবেদনের সহজ পদ্ধতি

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:১২

ভারতীয় মেডিকেল ভিসার আবেদনের সহজ পদ্ধতি

প্রতিদিনই বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে গমন করেন। তবে অনেক সময় প্রয়োজনীয় নথিপত্র সঠিকভাবে ক্রমানুসারে না সাজানোর ফলে ভিসা আবেদন জমা দিতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় আবেদনকারীদের। সঠিক নিয়মে ফাইল প্রস্তুত করা থাকলে একদিকে যেমন সময় বাঁচে, তেমনি ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পায়। একজন মেডিকেল ভিসা আবেদনকারীকে শুরুতেই তার আবেদনপত্রটি সবার উপরে রাখতে হবে। এরপর ধারাবাহিকভাবে অন্যান্য নথিপত্র যোগ করতে হবে। আবেদনপত্রের ঠিক নিচেই থাকবে আইউশ ভিসার জন্য নির্দিষ্ট ইনভাইটেশন লেটার বা আমন্ত্রণপত্র। এর পরপরই ভারত থেকে আসা মূল মেডিকেল আমন্ত্রণপত্রটি সংযুক্ত করতে হবে, যেখানে চিকিৎসার নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ থাকা আবশ্যক।

পরিচয়পত্রের ক্ষেত্রে আবেদনকারীর বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয়, তবে জাতীয় পরিচয়পত্রের অনুলিপি দিতে হবে এবং ১৮ বছরের নিচে হলে জন্ম সনদপত্র জমা দিতে হবে। এরপর বসবাসের প্রমাণ হিসেবে গত ছয় মাসের মধ্যে পরিশোধিত যে কোনো একটি ইউটিলিটি বিলের অনুলিপি যুক্ত করতে হবে। সেটি হতে পারে বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস অথবা পানির বিল। আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণপত্র সাজানোর ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। এখানে আবেদনকারী জনপ্রতি অন্তত ১৫০ মার্কিন ডলার সমমানের বৈদেশিক মুদ্রার এনডোর্সমেন্ট অথবা সচল আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্টের অনুলিপি প্রদান করতে পারেন। ব্যাংক স্টেটমেন্টের ক্ষেত্রে একাউন্টে ভ্রমণের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ আর্থিক ব্যালান্স থাকা বাঞ্ছনীয়, যা আপনার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের সক্ষমতা প্রমাণ করবে।

পেশাগত প্রমাণের জন্য চাকরিজীবী হলে এনওসি বা ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্স জাতীয় প্রয়োজনীয় কাগজগুলো এর পরের ধাপে যুক্ত করতে হবে। মেডিকেল ভিসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো আবেদনকারীর বর্তমান শারীরিক অবস্থার নথিপত্র। এক্ষেত্রে নিয়ম হলো ভারতের হাসপাতালের আমন্ত্রণপত্রের পাশাপাশি দেশের সদ্য করানো মেডিকেল পরীক্ষার মূল কাগজগুলো ক্রমানুসারে সাজাতে হবে। মূল কাগজের ঠিক পরেই ওই একই মেডিকেল কাগজগুলোর এক সেট ফটোকপি যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। সবশেষে পাসপোর্টের তথ্য সংবলিত প্রথম পাতার একটি পরিষ্কার অনুলিপি সংযুক্ত করে ফাইলটি সম্পূর্ণ করতে হবে।

অনলাইনে ফর্ম পূরণের সময় প্রদত্ত তথ্যের সাথে সংযুক্ত নথিপত্রের তথ্যে যেন কোনো অমিল না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। অনেক সময় সামান্য বানানের ভুল বা নথিপত্রের অস্পষ্টতার কারণে আবেদনটি বাতিল হয়ে যেতে পারে। প্রতিটি কাগজ সিরিয়াল অনুযায়ী গুছিয়ে ফাইল করলে ভিসা সেন্টারে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সহজ ও দ্রুততর হয়। মনে রাখবেন সঠিক নথিপত্র এবং স্বচ্ছ তথ্যই আপনার ভিসা পাওয়ার পথকে মসৃণ করবে। তাই তাড়াহুড়ো না করে প্রতিটি ধাপ যাচাই করে ফাইল প্রস্তুত করা উচিত।

Logo