বিদেশ থেকে ফেরার সময় অনেকেই পরিবারের জন্য উপহার আনেন। সাধারণত ছোটখাটো জিনিসপত্রই থাকে সেই তালিকায়। তবে সরকার প্রদত্ত ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী বড় গৃহস্থালি পণ্যও আনা সম্ভব। শুল্ক-কর পরিশোধ করে টেলিভিশন, ফ্রিজ, এয়ারকন্ডিশনারসহ ১১ ধরনের পণ্য দেশে আনা যাবে। এ জন্য কোনো ঋণপত্র (এলসি) খুলতে হবে না।
৩০ ইঞ্চি পর্যন্ত এলইডি, প্লাজমা, এলসিডি বা টিএফটি টেলিভিশন বিনা শুল্কে আনা যাবে। তবে এর বেশি আকারের টিভির জন্য নির্দিষ্ট হারে কর দিতে হবে। যেমন ৩৬ ইঞ্চি পর্যন্ত ১০ হাজার টাকা, ৩৭-৪২ ইঞ্চি ২০ হাজার, ৪৩-৪৬ ইঞ্চি ৩০ হাজার, ৪৭-৫২ ইঞ্চি ৫০ হাজার, ৫৩-৬৫ ইঞ্চি ৭০ হাজার এবং ৬৫ ইঞ্চির বেশি হলে ৯০ হাজার টাকা কর দিতে হবে।
চারটির বেশি এবং সর্বোচ্চ আটটি স্পিকারসহ হোম থিয়েটার বা মিউজিক সিস্টেম আনা যাবে। এর জন্য শুল্ক-কর নির্ধারিত হয়েছে ৮ হাজার টাকা।
বিদেশ থেকে ফ্রিজ বা ডিপ ফ্রিজার আনতে হলে ৫ হাজার টাকা কর দিতে হবে।
উইন্ডো টাইপ এসির জন্য ৭ হাজার টাকা, স্প্লিট টাইপ এসি (১৮০০০ বিটিইউ পর্যন্ত) ১৫ হাজার টাকা এবং ১৮০০০ বিটিইউয়ের বেশি হলে ২০ হাজার টাকা কর দিতে হবে।
ডিশ অ্যানটেনা আনলে শুল্ক দিতে হবে ৭ হাজার টাকা।
প্রতি বছর একবার সর্বোচ্চ ১১৭ গ্রাম ওজনের একটি সোনার বার আনা যাবে। প্রতি ভরিতে শুল্ক নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার টাকা।
প্রতি বছর একবার সর্বোচ্চ ২৩৪ গ্রাম ওজনের একটি রুপার বার আনা যাবে। প্রতি ভরিতে শুল্ক মাত্র ৬ টাকা।
ডিএসএলআর, মিররলেস বা ইন্টারচেঞ্জেবল লেন্স ক্যামেরা আনতে হলে ১৫ হাজার টাকা কর দিতে হবে।
ঝাড়বাতি আনলে প্রতি পয়েন্টের জন্য ৩০০ টাকা করে কর দিতে হবে।
ডিশওয়াশার, ওয়াশিং মেশিন বা ক্লথ ড্রায়ার আনতে হলে ৩ হাজার টাকা কর দিতে হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এয়ারগান আনা যাবে। প্রতিটি এয়ারগানের জন্য শুল্ক নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার টাকা।
সরকারি ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী বিদেশ থেকে ফেরার সময় যাত্রীরা শুল্ক–কর পরিশোধ করে এসব পণ্য আনতে পারবেন। নিয়মিত পরিবর্তনের কারণে যাত্রীরা আগে থেকেই শুল্কহার সম্পর্কে জেনে নিলে ঝামেলা এড়ানো সম্ভব হবে।
logo-1-1740906910.png)