Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

বিএনপির জয়ে প্রবাসীদের উচ্ছ্বাস

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৪

বিএনপির জয়ে প্রবাসীদের উচ্ছ্বাস

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে উল্লাসে মেতেছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দীর্ঘ ১৭ বছর বিদেশে থাকার পর দেশে ফিরে নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের সম্ভাবনায় প্রবাসীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।  

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস ও টেক্সাসে স্থানীয় বিএনপির আয়োজনে বিশেষ দোয়া ও আনন্দ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রবাসীরা একত্রিত হয়ে বিজয় উদযাপন করেন। দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। কানাডার টরন্টোতেও বিজয় মিছিল হয়েছে। পতাকা হাতে নগরী প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় আনন্দ আয়োজন করা হয়। একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে বিজয় উদযাপন করেন প্রবাসীরা।  

সৌদি আরবের রিয়াদ, জেদ্দা ও দাম্মামে প্রবাসীদের মধ্যে একই উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা বার্তা, কমিউনিটি আয়োজনে মিষ্টি বিতরণ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে তারা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানান। তাদের মতে, এই ফলাফল গণতন্ত্র ও সুশাসনের পক্ষে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।  

এবারের নির্বাচনে ইতিহাসে প্রথমবার প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ প্রবাসী ভোটার অংশ নেন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনের হাতে পৌঁছেছে প্রায় পাঁচ লাখ ভোট। প্রবাসীরা মনে করছেন, এই অংশগ্রহণ তাদের রাজনৈতিক অধিকারকে আরো শক্তিশালী করেছে।  

প্রবাসীদের প্রত্যাশা, নতুন সরকার তাদের জন্য দেওয়া ইশতেহার যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করবে। তারা চান, দূতাবাস সেবা সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করা হোক, রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া আরো সহজ করা হোক এবং শ্রমবাজার সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হোক। বিমানবন্দরে হয়রানি বন্ধ করা, অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং প্রবাসী ব্যাংকের ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশে শ্রমিক ভিসা জটিলতা নিরসনে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের আহ্বানও জানিয়েছেন।  

প্রবাসীদের মতে, নতুন সরকার সব মত ও পথের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশকে স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে নেবে। রাজনৈতিক সংকট নিরসন, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি ফিরিয়ে আনার প্রত্যাশায় তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। 

Logo