Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য ভিসা যাচাই সেবা চালু করল ‘আমি প্রবাসী’

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০৭

প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য ভিসা যাচাই সেবা চালু করল ‘আমি প্রবাসী’

বাংলাদেশি প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘আমি প্রবাসী’। ওমান, কাতার ও সৌদি আরবে যেতে ইচ্ছুক শ্রমিকরা এখন তাদের ভিসার সত্যতা যাচাই করতে পারবেন এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। ভিসা যাচাইয়ের এই সেবা ইতোমধ্যেই চালু হয়েছে এবং এটি পাওয়া যাবে শুধু হেল্পলাইন নম্বর ১৬৭৬৮-এ যোগাযোগের মাধ্যমে।  

সেবাটি ব্যবহার করতে প্রবাসীরা হেল্পলাইনে ফোন করে তাদের ভিসার তথ্য প্রদান করবেন। এরপর ‘আমি প্রবাসী’ টিম সংশ্লিষ্ট দেশের সিস্টেমে ভিসার সত্যতা যাচাই করবে। যাচাই শেষে গ্রাহককে এসএমএস পাঠানো হবে, যেখানে জানানো হবে ভিসাটি বৈধ নাকি অবৈধ। যদি কোনো ভিসা পাওয়া না যায়, তবে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হবে। আর ভিসা যাচাই হয়ে অনুমোদিত হলে গ্রাহককে নিশ্চিতকরণ বার্তা পাঠানো হবে।  

এই সেবা গ্রহণ করতে একটি সামান্য ফি দিতে হবে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি দ্রুত ও সহজভাবে সম্পন্ন করার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অভিবাসন প্রক্রিয়ায় একটি বড় ঘাটতি পূরণ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারণ দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া ভিসা ও প্রতারণার শিকার হয়ে অনেক শ্রমিক বিপদে পড়েছেন। নতুন এই উদ্যোগ তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে এবং নিরাপদে বিদেশগমন নিশ্চিত করবে।  

‘আমি প্রবাসী’–এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা তারিক একরামুল হক বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হলো অভিবাসনকে আরো নিরাপদ ও স্বচ্ছ করা। দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ভিসা যাচাই ব্যবস্থা প্রবাসীদের প্রতারণার ঝুঁকি কমাবে এবং তাদের নিশ্চিন্তে বিদেশ যেতে সহায়তা করবে। এই সেবা আমাদের নাগরিকদের সুরক্ষিত অভিবাসন নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।”  

২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে চালু হওয়া ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপটি বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য প্রথম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে এর ব্যবহারকারী সংখ্যা ৯০ লাখের বেশি। শুরু থেকেই প্ল্যাটফর্মটি অভিবাসন–সংক্রান্ত নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান দিয়ে আসছে।  

অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভিসা যাচাইয়ের এই উদ্যোগ প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কারণ বিদেশগমনের আগে ভিসার সত্যতা নিশ্চিত করা গেলে প্রতারণা ও অবৈধ অভিবাসনের ঝুঁকি অনেকটাই কমে যাবে। একই সঙ্গে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষায়ও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। 

Logo