Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

পোস্টাল ভোটে যে দেশগুলো থেকে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২০

পোস্টাল ভোটে যে দেশগুলো থেকে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের জন্য চালু হওয়া পোস্টাল ভোটিংয়ে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। নির্বাচন কমিশনের অনলাইন পোর্টালের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন। তবে কিছু দেশ থেকে নিবন্ধন সংখ্যা একেবারেই সীমিত।  

প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম চালু করা হয়। এতে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন এসেছে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের দেশগুলো থেকে। শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমান, কুয়েত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র এবং সিঙ্গাপুর। এসব দেশে লাখো প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাস করেন এবং তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোটার পোস্টাল ভোটে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেছেন। বিশেষ করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সর্বাধিক নিবন্ধন হয়েছে, যা প্রবাসীদের আগ্রহকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।  

নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন পোস্টাল ভোটে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ লাখ ৮১ হাজার ৪৩৫ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৫২ হাজার ২৪৬ জন। দেশভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সৌদি আরব থেকে ২ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৬ জন, মালয়েশিয়া থেকে ৮৪ হাজার ২৯২ জন, কাতার থেকে ৭৬ হাজার ১৩৯ জন, ওমান থেকে ৫৬ হাজার ২০৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩৮৫৭৪ জন, কুয়েত থেকে ৩৫ হাজার ৩৮৬ জন, যুক্তরাজ্য থেকে ৩২ হাজার ৪১৪ জন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩১ হাজার ৬৪ জন, ইতালি থেকে ২৪ হাজার ৪৪৪ জন, বাহরাইন থেকে ১৯ হাজার ৭১৯ জন, সিঙ্গাপুর থেকে ১৮ হাজার ১২৯ জন, কানাডা থেকে ১৪ হাজার ৬৮১ জন, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ১১ হাজার ৭০২ জন এবং অস্ট্রেলিয়া থেকে ১১ হাজার ১৫৮ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।  

প্রথমবারের মতো চালু হওয়া এই পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ভোটপত্র পাঠানো হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা ফেরত পাঠাতে হবে। এভাবে প্রবাসীরা দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রবাসীদের এই অংশগ্রহণ ভবিষ্যতের নির্বাচনী ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এবং গণতন্ত্রকে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে।

Logo