Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

নতুন ২৫২ প্রতিষ্ঠান পেল রিক্রুটিং এজেন্সি লাইসেন্স

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৫২

নতুন ২৫২ প্রতিষ্ঠান পেল রিক্রুটিং এজেন্সি লাইসেন্স

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রিক্রুটিং এজেন্সি এখন সক্রিয় রয়েছে বাংলাদেশে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্প্রতি নতুন করে আরো ২৫২টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে লাইসেন্স দিয়েছে। গত বছরের ৪ নভেম্বর মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের স্বাক্ষরে অনুমোদনের তালিকা প্রকাশ করা হয়।  

২০২৫ সালে ভারত থেকে প্রবাসীরা ১৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। একই সময়ে বাংলাদেশে এসেছে ৩১ বিলিয়ন ডলার। তবে জনশক্তি রফতানির কাঠামোয় দুই দেশের মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। ভারতে সক্রিয় রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা ১ হাজার ৯৮৮টি, আর বাংলাদেশে বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৪৬টিতে।  

অতীতে দেশে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা সাধারণত ৮৫০ থেকে ৯০০টির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ দিকে এই সংখ্যা দ্রুত বাড়তে বাড়তে প্রায় ২ হাজার ৩০০টিতে পৌঁছায়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তা আরো বেড়ে রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে।  

অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত অর্থনৈতিক পরিস্থিতিবিষয়ক শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি তাদের ডিসেম্বর ২০২৪-এর প্রতিবেদনে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা যৌক্তিক পর্যায়ে কমিয়ে আনার সুপারিশ করেছিল। কিন্তু সেই সুপারিশের পরও নতুন করে ২৫২টি লাইসেন্স অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠছে।  

ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশে রিক্রুটিং এজেন্সির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এজেন্সির সংখ্যা বাড়লেও দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ানোর ক্ষেত্রে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি।

Logo