Logo
×

Follow Us

বাংলাদেশ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাত দলের টার্গেট প্রবাসীর গাড়ি

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৫

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাত দলের টার্গেট প্রবাসীর গাড়ি

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এখন ডাকাতদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। প্রবাসীদের গাড়ি ছাড়াও যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান তাদের প্রধান টার্গেট। যানজটের সুযোগ নিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতরা হামলা চালাচ্ছে। গুরুত্ব বিবেচনায় বিভিন্ন অংশে হাইওয়ে থানা স্থাপন করা হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। ভুক্তভোগীরা বলছেন, অবহেলা ও দুর্বল নজরদারির কারণেই অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।  

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের এক প্রতিবেদনে ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ কামাল আকন্দ জানান, অপরাধপ্রবণ এলাকায় টহল বাড়ানো হয়েছে। গত পাঁচ বছরে এসব অপরাধে জড়িতদের তালিকা তৈরি করে তাদের গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম বলেন, ডাকাতির ইতিহাস আছে এমন অপরাধীদের গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। টহল বৃদ্ধি ও কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।  

গত ৭ ডিসেম্বর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে সোনা নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই ভাই। মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পৌঁছালে পুলিশের পোশাক পরা তিনজনসহ পাঁচজনের একটি দল তাদের মাদক মামলার অজুহাত দেখিয়ে বাস থেকে নামিয়ে নেয়। হাতকড়া পরিয়ে মাইক্রোবাসে তুলে চোখ বেঁধে মারধর করা হয়। এরপর ১৪৫ ভরি স্বর্ণালংকার, টাকা, মোবাইল ফোন, এটিএম কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে গাজীপুরের কালীগঞ্জে হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখা হয় তাদের। দুই দিন পর মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৯৪ ভরি স্বর্ণ উদ্ধারসহ কয়েকজন অপরাধীকে আটক করে।  

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ডাকাতির শিকার অনেকেই ঝামেলা এড়াতে মামলা করতে চান না। আবার অনেক সময় পুলিশও ডাকাতির ঘটনায় ছিনতাইয়ের মামলা কিংবা শুধু জিডি নিয়েই দায় শেষ করে। কিছু ঘটনায় মামলা হলেও ডাকাত দলের সদস্যরা জামিনে বেরিয়ে আবারো একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। 

Logo