Logo
×

Follow Us

অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনায় নিষেধাজ্ঞা

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৯

অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের পরিবার আনায় নিষেধাজ্ঞা

অস্ট্রেলিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা আর পরিবার নিয়ে যেতে পারবেন না— এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে লেবার সরকার। দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত অভিবাসন সংস্কার পরিকল্পনা আগামীকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে ঘোষণা করবেন স্বরাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী টনি বার্ক।

সরকারের লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে নেট ওভারসিজ মাইগ্রেশন (NOM) ৩ লাখ থেকে কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজারে নামিয়ে আনা। এজন্য অস্থায়ী ভিসার সংখ্যা কমানো, ভিসার মেয়াদ শেষ হলে দ্রুত দেশ ছাড়ার ব্যবস্থা করা এবং ভিসা হপিং বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

গত অর্থবছরে ৩ লাখ ৩৭ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভিসা দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ৪৬ হাজার ছিল পরিবার বা নির্ভরশীল সদস্য। নতুন নীতির আওতায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে আসতে পারবেন, তবে পরিবারের সদস্যদের আনার সুযোগ কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।

টনি বার্ক জানিয়েছেন, তিনি চাইছেন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে সংস্কার কার্যকর করতে। তবে সংসদে সমর্থন না পেলে অন্য প্রশাসনিক উপায় ব্যবহার করবেন। তিনি বলেন, “আমাদের হাতে যত বেশি টুল থাকবে, তত ভালোভাবে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।”

সরকার ইতোমধ্যে কিছু পরিবর্তন করেছে। জুলাইয়ে ওয়ার্কিং হলিডে ভিসার প্রসেসিং ধীর করা হয়েছে। দক্ষ কর্মীদের ভিসা আবেদনও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বিদেশ থেকে আবেদন করা দক্ষ কর্মীরা এখন দীর্ঘ অপেক্ষার মুখে পড়ছেন।

এছাড়া ব্রিজিং ভিসার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আসতে পারে। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ১ হাজার ৫৮০ জন সুরক্ষা দাবি করে আবেদন করছেন, যাদের বেশির ভাগই চীন, ভারত ও মালয়েশিয়া থেকে আসা শিক্ষার্থী বা ভিজিটর ভিসাধারী। এসব আবেদনকারীর ৯০ শতাংশই প্রত্যাখ্যাত হয়, তবে আপিল প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় নেয়। এ সময় তারা ব্রিজিং ভিসায় থেকে কাজ করতে পারেন। সরকার মনে করছে, অনেকেই এ সুযোগকে অপব্যবহার করছেন।

লেবার সরকারের পরিকল্পনা ওয়ান নেশন দলের অভিবাসন নীতির সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে। তারা সম্প্রতি শিক্ষার্থী ও দক্ষ কর্মীদের পরিবারের ভিসা সীমিত করার প্রস্তাব দিয়েছে।

Logo