বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কর্মী নিয়োগ
বারবার সিদ্ধান্ত বদল, ভঙ্গ হওয়া প্রতিশ্রুতি ও কর্মীদের দুর্ভোগের বেদনাদায়ক ইতিহাস
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১:৫০
“অভিবাসন চলুক মর্যাদা, অধিকার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।”
বহু বছর ধরে বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রম অভিবাসনের পরিস্থিতি আমি গভীর উদ্বেগ, হতাশা ও দুঃখের সঙ্গে দেখছি। দুই দেশের এই শ্রম অভিবাসন সম্পর্ক নিরাপদ, নিয়মিত ও মর্যাদাপূর্ণ অভিবাসনের অন্যতম সেরা উদাহরণ হতে পারত। মালয়েশিয়ার কর্মী প্রয়োজন। বাংলাদেশে এমন কর্মী আছেন, যাঁরা পরিশ্রম করতে, সৎভাবে আয় করতে এবং পরিবারের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। কাগজে-কলমে এটি একটি স্বাভাবিক অংশীদারত্ব বলেই মনে হয়।
কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া কর্মী নিয়োগের ইতিহাস পরিণত হয়েছে বারবার শ্রমবাজার খোলা, বন্ধ হওয়া, আবার খোলা এবং আবার বন্ধ হওয়ার এক বেদনাদায়ক কাহিনিতে। প্রতিবার কর্মীদের আশা দেখানো হয়। প্রতিবার তাঁরা ঋণ নেন, জমি বিক্রি করেন, পরিবারের সম্পদ বন্ধক রাখেন এবং একটি ভালো ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেন। প্রতিবার সরকার ও নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন, উন্নত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু কয়েক বছর পর একই সমস্যাগুলো ফিরে আসে: অতিরিক্ত নিয়োগ ফি, সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ, ভুয়া কর্মী চাহিদা, মালয়েশিয়ায় পৌঁছে কাজ না পাওয়া, বকেয়া মজুরি, পাসপোর্ট আটকে রাখা, ঋণদাসত্ব, সেখানে থাকার বৈধতা হারানো এবং বাধ্য হয়ে দেশে ফেরা।
এটি সামান্য কোনো প্রশাসনিক সমস্যা নয়। এটি বারবার ঘটে চলা নীতিগত ব্যর্থতা। একই সঙ্গে এটি এক মানবিক বিপর্যয়।
মূল বক্তব্য:
এই শ্রমবাজার আবার চালু হতে পারে। কিন্তু যে নিয়োগ ব্যবস্থা ঋণ, প্রতারণা ও বারবার বাজার বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করেছে, সেই একই ব্যবস্থায় এটি আবার চালু করা যাবে না।
একই চক্রের পুনরাবৃত্তি
অনিয়ম ও বৈধ কাগজপত্রহীন কর্মীদের নিয়ে গুরুতর সমস্যার পর ১৯৯৭ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। ২০০৬-২০০৭ সালের দিকে এটি আবার খোলে। কিন্তু আউটসোর্সিং ও দালালনির্ভর ব্যবস্থায় অনেক কর্মী অতিরিক্ত খরচ, প্রতারণা ও বেকারত্বের শিকার হন। ২০০৮-২০০৯ সালের দিকে বাজার আবার বন্ধ হয়। এরপর আসে ২০১২ সালের জি-টু-জি ব্যবস্থা। দালালের ভূমিকা কমানো এবং অভিবাসন ব্যয় কমানোর জন্য দুই সরকারের সরাসরি তত্ত্বাবধানে একটি স্বচ্ছ ব্যবস্থা হিসেবে একে তুলে ধরা হয়েছিল। কিন্তু এর অগ্রগতি ছিল ধীর, আর এটি কর্মী বা নিয়োগকর্তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।
এরপর আসে জি-টু-জি প্লাস এবং পরবর্তী সময়ে সিন্ডিকেট নিয়ে আলোচনা। ২০১৫ সালের দিকেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছিল যে, মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগপ্রক্রিয়া সীমিতসংখ্যক এজেন্সি ও ব্যবসায়িক পক্ষের নিয়ন্ত্রণে চলে যেতে পারে। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই বাস্তবে পরিণত হয়। ২০১৮ সাল নাগাদ সীমিতসংখ্যক এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থাকে ঘিরে আবারও একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ, অতিরিক্ত খরচ ও শোষণের অভিযোগ ওঠে। শ্রমবাজার আবার স্থগিত হয়।
বছরের পর বছর আলোচনার পর ২০২২ সালে বাজার আবার খোলে। কর্মীরা আবার বিশ্বাস করেন, এবার পরিস্থিতি ভালো হবে। কিন্তু আবারও অনেকে বিপুল পরিমাণ টাকা দেন। অনেকে মালয়েশিয়ায় পৌঁছে ঠিকমতো কোনো কাজ পাননি। কেউ কেউ নিম্নমানের আবাসনে অপেক্ষা করেছেন। কেউ নিজের কোনো দোষ ছাড়াই সেখানে থাকার বৈধতা হারিয়েছেন। কেউ ঋণ, লজ্জাবোধ ও মানসিক আঘাত নিয়ে দেশে ফিরেছেন। ২০২৪ সালে বাজার আবার বন্ধ হয়।
এখন বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া আবারো আরেকটি সমঝোতা স্মারক বা এমওইউ নিয়ে আলোচনা করছে।
বারবার সিদ্ধান্ত বদলের চিত্র একনজরে
শ্রমবাজার খোলে → সীমিত কয়েকটি পক্ষের নিয়ন্ত্রণ → উচ্চ ফি ও ঋণ → দুর্বলভাবে যাচাই করা বা ভুয়া কর্মী চাহিদা → কর্মীর শোষণ → শ্রমবাজার বন্ধ → নতুন এমওইউর প্রতিশ্রুতি।
মূল প্রশ্ন
আমরা আর কতবার একই ভুল করব?
অভিবাসন চলুক, তবে এভাবে নয়
আমাদের অবস্থান স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন: আমরা মালয়েশিয়ায় শ্রম অভিবাসনের বিরোধী নই। বাংলাদেশের কর্মীরা মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে বিপুল অবদান রেখেছেন। তাঁরা বাগান, কারখানা, নির্মাণ, সেবা ও আরো অনেক খাতে কাজ করেন। তাঁরা মালয়েশিয়ার উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন। একই সঙ্গে তাঁদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের পরিবার ও স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রায় সহায়তা করে। মালয়েশিয়ায় নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন অব্যাহত থাকা উচিত।
কিন্তু ঋণ নিয়ে শুরু হলে অভিবাসন নিরাপদ হতে পারে না। কর্মীর চাহিদা প্রকৃত না হলে তা নিয়মিত অভিবাসন হতে পারে না। দেশ ছাড়ার আগেই কর্মীকে বিপুল ফি দিতে হলে তা নৈতিক হতে পারে না। পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়া হলে, মজুরি দেওয়া না হলে এবং অভিযোগ উপেক্ষা করা হলে তা মর্যাদাপূর্ণ হতে পারে না। কর্মী আগের চেয়ে আরো দরিদ্র হয়ে দেশে ফিরলে সেটিকে সফলতা বলা যায় না।
সমস্যা অবৈধ দালালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়
সমস্যা শুধু অবৈধ দালাল নয়; এর শিকড় আরো গভীরে। নিয়োগের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থ, প্রভাবশালী ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর হাতে এই শ্রম অভিবাসন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ, এজেন্সি বাছাইয়ে স্বচ্ছতার অভাব এবং ভুয়া বা যথাযথভাবে যাচাই না করা কর্মী চাহিদা—সবই এই সমস্যার অংশ। এর সঙ্গে আছে মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর দুর্বল তদারকি এবং ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের প্রকৃত ক্ষতিপূরণ না পাওয়া। নিয়োগকর্তা, এজেন্সি, মধ্যস্থতাকারী ও প্ল্যাটফর্ম পরিচালনাকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে কর্মী প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী—উভয় দেশের ব্যর্থতাও এর অংশ।
বাজার বন্ধ হলে সবার আগে ভোগেন কর্মীরা। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো একে অন্যকে দোষ দেয়। সরকারগুলো আবার আলোচনায় বসে। নিয়োগকর্তারা আরো সস্তা শ্রম খোঁজেন। কিন্তু যে কর্মী জমি বিক্রি করেছেন বা ঋণ নিয়েছেন, তাঁর পাশে দাঁড়ানোর কেউ থাকে না। তাঁর পরিবার ঋণের বোঝা বহন করে। তাঁর সন্তানেরা কষ্ট পায়। তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়। অনেক ক্ষেত্রে লজ্জা, ভয় বা চাপের কারণে তিনি প্রকাশ্যে নিজের কথা বলতেও পারেন না।
কর্মী ও পরিবারের দুর্ভোগ
ঋণের বোঝা বহন করেন কর্মী। ক্ষতি বহন করে তাঁর পরিবার। আর নিয়োগ ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা পক্ষগুলো আবার নতুন আলোচনায় এগিয়ে যায়।
নতুন যে কোনো চুক্তিতে যা থাকতে হবে
এ কারণেই বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার নতুন কোনো চুক্তি আরেকটি দুর্বল এমওইউ হতে পারে না। আমাদের প্রয়োজন আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক একটি দ্বিপক্ষীয় শ্রমচুক্তি, যার মাধ্যমে কর্মীদের সুরক্ষার বিধান কার্যকর করা যাবে। এমন ব্যবস্থা প্রয়োজন, যেখানে স্পষ্ট বলা থাকবে: কর্মী নিয়োগ ফি দেবেন না; নিয়োগকর্তাকেই সেই খরচ বহন করতে হবে। নিয়োগ ব্যয়, এজেন্সি বাছাই, নিয়োগকর্তার কর্মী চাহিদা, চাকরির চুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিষয়ে পূর্ণ স্বচ্ছতা চাই। দেশত্যাগের আগে চাকরির বাস্তব অস্তিত্ব যাচাই চাই। মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর যৌথ তদারকি চাই। অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি চাই। নির্যাতন বা শোষণের শিকার হলে নিয়োগকর্তা পরিবর্তনের অধিকার চাই। নিয়োগ প্রতারণা বা জবরদস্তিমূলক শ্রমের শিকার কর্মীদের আটক ও জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানো থেকে সুরক্ষা চাই।
নীতি বাস্তবে যা নিশ্চিত করতে হবে
সবার আগে ন্যায়বিচার আগের নিয়োগপর্বগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের জন্য ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার।
কর্মীর ওপর নিয়োগের ঋণ নয় নিয়োগকর্তা খরচ বহন করবেন—এই নীতি বাধ্যতামূলক করা এবং কর্মীর কাছ থেকে নিয়োগ ফি নেওয়ার ওপর স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা।
সিন্ডিকেট নয় একচেটিয়া ব্যবসা, কার্টেল, সীমিতসংখ্যক এজেন্সির নিয়ন্ত্রণ বা আড়ালে প্ল্যাটফর্মের নিয়ন্ত্রণ দখলের সুযোগ বন্ধ করা।
শুধু যাচাই করা চাকরি দেশত্যাগের আগে কর্মী চাহিদা, নিয়োগকর্তা, চুক্তি, বেতন ও থাকার জায়গা যাচাই করা।
পৌঁছানোর পরও তদারকি শুধু দেশত্যাগের আগে নয়, কর্মস্থলেও বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার যৌথ তদারকি অব্যাহত রাখা।
আগে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া কর্মীদের জন্য ন্যায়বিচার
সবচেয়ে জরুরি হলো, যাঁরা ইতোমধ্যে ভুগেছেন, তাঁদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।
আরেকটি চুক্তি সইয়ের আগে দুই সরকারকে প্রশ্ন করতে হবে: যেসব কর্মী বিপুল ফি দিয়ে খালি হাতে দেশে ফিরেছেন, তাঁদের কী হয়েছে? যাঁরা মালয়েশিয়ায় পৌঁছেও কাজ পাননি, তাঁদের কী হয়েছে? নিয়োগকর্তা বা নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতায় যাঁরা সেখানে থাকার বৈধতা হারিয়েছেন, তাঁদের কী হয়েছে? তাঁদের ক্ষতিপূরণ কে দেবে? যেসব এজেন্সি, নিয়োগকর্তা ও মধ্যস্থতাকারী তাঁদের দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে অর্থ আয় করেছে, তাদের বিষয়ে তদন্ত কে করবে?
অতীতে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের ন্যায়বিচার না দিয়ে নতুন চুক্তি করলে আরো নতুন কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
দায়িত্বশীল এজেন্সিগুলোকেও সংস্কারের পক্ষে দাঁড়াতে হবে
দায়িত্বশীল রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোরও ভূমিকা আছে। সব এজেন্সি এক রকম নয়। কিছু এজেন্সি ন্যায্য, স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত ব্যবস্থা চায়। কোনো সিন্ডিকেট বা সীমিত গোষ্ঠী বাজার দখল করলে তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই নৈতিকভাবে কাজ করা এজেন্সি, নাগরিক সমাজ, ফেরত আসা কর্মী, ট্রেড ইউনিয়ন ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোকে একটি নীতিতে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে: কোনো সিন্ডিকেট নয়, একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নয়, গোপন খরচ নয়, ভুয়া চাকরি নয় এবং নিয়োগের খরচ মেটাতে কর্মীর ওপর ঋণের বোঝা নয়।
বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার শ্রম অভিবাসন ব্যবস্থা এখনো সংস্কার করা সম্ভব। তবে বন্ধ দরজার আড়ালে আরেকটি এমওইউ করে সেই সংস্কার আসবে না। সংস্কার আসবে কর্মীদের কথা শুনে, চুক্তি প্রকাশ করে, নাগরিক সমাজের সঙ্গে পরামর্শ করে, দায়িত্বশীল এজেন্সিগুলোকে সম্পৃক্ত করে, নিয়োগকর্তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এবং এমন একটি তদারকিব্যবস্থা গড়ে তুলে, যা শুধু কাগজে নয়, বাস্তবেও কাজ করে।
শেষ আবেদন
দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের অভিবাসী কর্মীদের কেবল সংখ্যা, রেমিট্যান্স প্রেরণকারী এবং জনশক্তি রপ্তানির হিসাবের একেকটি একক হিসেবে দেখা হয়েছে। তাঁরা মানুষ। তাঁরা বাবা, মা, ছেলে, মেয়ে এবং বাংলাদেশের নাগরিক। তাঁদের সম্মান পাওয়ার অধিকার আছে। সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে। ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে।
আমি বিশ্বাস করি, অভিবাসন চলতে থাকা উচিত। তবে তা হতে হবে মর্যাদার সঙ্গে। অধিকার নিশ্চিত করে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
অতীতের ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি ঘটায় বাংলাদেশের এমন আরেকটি চুক্তি সই করা উচিত নয়। ঋণদাসত্ব ও শোষণ তৈরি করে—মালয়েশিয়ার এমন ব্যবস্থায় কর্মী নেওয়া উচিত নয়। দুই সরকারকে রাজনৈতিক সাহস দেখাতে হবে এবং বারবার সিদ্ধান্ত বদলানো এই নিয়োগচক্র ভাঙতে হবে।
বার্তাটি স্পষ্ট হওয়া উচিত:
জবাবদিহিতা ছাড়া শ্রমবাজার বারবার খোলা ও বন্ধ করা আর নয়।
সিন্ডিকেটনির্ভর নিয়োগ আর নয়।
ঋণনির্ভর অভিবাসন আর নয়।
কর্মীদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি আর নয়।
ন্যায়বিচার ছাড়া এমওইউ আর নয়।
ন্যায্যতা, স্বচ্ছতা ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে বাংলাদেশ–মালয়েশিয়ার শ্রম অভিবাসন সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তুলতে হবে। এর চেয়ে কম কিছু হলে তা হবে অভিবাসী কর্মীদের সঙ্গে আরেকটি বিশ্বাসভঙ্গ।
লেখক: মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ
অভিবাসী অধিকারকর্মী
১৫ অক্টোবর ২০২৬
logo-1-1740906910.png)