বাংলাদেশ থেকে থাইল্যান্ডে ভ্রমণের জন্য এখন ই-ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়েছে। ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করা যায়। থাই সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট জমা দিলেই শুরু হয় পুরো প্রক্রিয়া।
প্রথমে ভিজিট করতে হবে থাইল্যান্ড ই-ভিসার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে। সেখানে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। একটি অ্যাকাউন্ট থেকে সর্বোচ্চ ১০ জনের জন্য আবেদন করা যায়। আবেদনকারীর পাসপোর্টের বায়োডাটা পেজ ও ছবি আপলোড করতে হবে। ফাইল অবশ্যই জেপিজি ফরম্যাটে এবং ৩ এমবির নিচে হতে হবে।
পাসপোর্টে দেওয়া সব তথ্য সঠিকভাবে ফর্মে পূরণ করতে হবে। ভুল হলে আবেদন বাতিল হতে পারে। আবেদনকারীর ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরি বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডকুমেন্টও জমা দিতে হয়।
ট্যুরিস্ট ভিসা সিঙ্গেল এন্ট্রির জন্য ফি ৩৫০০ টাকা। মাল্টিপল এন্ট্রির জন্য ফি ১৭ হাজার টাকা। বাংলাদেশ থেকে আবেদনকারীরা শুধুমাত্র ঢাকার রয়েল থাই এম্বাসির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদন করার পর একটি পেমেন্ট ইনফো সামারি শিট পাওয়া যাবে। এতে রেফারেন্স নম্বর ও কোড থাকবে। ভিসা ফি জমা দিতে হবে কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের ওয়েবসাইটে। পেমেন্ট সম্পন্ন হলে ইমেইলে একটি ই-রিসিপ্ট পাঠানো হবে।
আবেদন করার পর ভিসা অনুমোদন পেতে অন্তত ১০ কার্যদিবস সময় লাগে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ডকুমেন্ট চাইতে পারে কর্তৃপক্ষ। ভিসা অনুমোদন হলে ই-ভিসা প্রিন্ট করে থাইল্যান্ডে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশনে দেখাতে হবে।
logo-1-1740906910.png)