মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে আর সিন্ডিকেট চান না বায়রার সদস্যরা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ২০:৪৯
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে মাত্র ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সিকে কেন্দ্র করে একচেটিয়া নিয়োগব্যবস্থা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজের (বায়রা) সদস্যরা।
বুধবার রাজধানীর বিজয়নগরের হোটেল ফার্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা অভিযোগ করেন, নতুন করে ১৭ কোটি টাকার সিন্ডিকেট হচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারের জন্য।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বর্তমান সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময়ে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বললেও আবারো সীমিতসংখ্যক এজেন্সিকে নিয়ে একচেটিয়া ব্যবস্থা তৈরির চেষ্টা চলছে।
বায়রার সদস্যদের অভিযোগ, প্রস্তাবিত তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য ৫০ লাখ রিঙ্গিত বা প্রায় ১৭ কোটি টাকা দাবি করা হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মীপ্রতি ৫ হাজার রিঙ্গিত করে ‘সিন্ডিকেট ফি’ আদায়ের পরিকল্পনাও চলছে বলে তারা দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আমরা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ রাখার পক্ষে নই। আমরা চাই শ্রমবাজার দ্রুত খুলুক। তবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে নয়; সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি বলেন, মালয়েশিয়া সরকার যদি সীমিতসংখ্যক লাইসেন্সের মাধ্যমে কর্মী নিতে চায়, তাহলে সরকারি প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের সক্ষমতা বাড়িয়ে ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালু করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেলের তদারকিতে কাজ করার সুযোগ পাবে এবং প্রয়োজনে বোয়েসেল এনওসি দিতে পারে।
বায়রার সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, কোনোভাবেই সিন্ডিকেট হতে দেওয়া উচিত নয়। তা হলে দুই দেশের সম্পর্ক আরো খারাপ হতে পারে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট হলে তিনি শহীদ মিনারে অনশন করার হুমকিও দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব এম এ ছালাম, মফিজ উদ্দিন, আকবর হোসেন মঞ্জু, সাবেক ইসি সদস্য মোহাম্মদ আলী ও হক জহিরুল জুসহ সংগঠনের সাবেক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
logo-1-1740906910.png)