ক্যান্সার মানেই মৃত্যুদণ্ড নয়, সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা জীবন বাঁচাতে পারে। প্রতি বছর হাজার হাজার বাংলাদেশি রোগী উন্নত চিকিৎসার আশায় ভারতে যান। সেখানে আধুনিক প্রযুক্তি, অভিজ্ঞ চিকিৎসক এবং তুলনামূলক কম খরচে চিকিৎসা সুবিধা পাওয়া যায়। ভারতের কয়েকটি শীর্ষ হাসপাতাল এখন দক্ষিণ এশিয়ার ক্যান্সার চিকিৎসায় আস্থার নাম।
টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতাল, মুম্বাই
এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও নির্ভরযোগ্য ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র। সরকারি ও বেসরকারি উভয় সুবিধা থাকায় খরচ তুলনামূলক কম। হাড়ের ক্যান্সার, ব্লাড ক্যান্সার ও জটিল সার্জারিতে তারা বিশ্বসেরা। তবে এখানে সিরিয়াল পেতে কিছুটা সময় লাগে।
অ্যাপোলো প্রোটন ক্যান্সার সেন্টার, চেন্নাই
দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র প্রোটন থেরাপি কেন্দ্র। সাধারণ রেডিয়েশনের তুলনায় এটি অনেক বেশি নির্ভুল ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত। এখানে রোবোটিক সার্জারি ও প্রোটন থেরাপি সুবিধা রয়েছে। বাংলাদেশি রোগীদের জন্য বিশেষ হেল্প ডেস্ক ও দোভাষী সেবা দেওয়া হয়।
মেদান্ত: দ্য মেডি সিটি, গুরগাঁও
ডক্টর নরেশ ত্রেহানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই হাসপাতালের ‘মেদান্ত ক্যান্সার ইনস্টিটিউট’ বিশ্বমানের চিকিৎসা দেয়। সাইবার নাইফ ও ইমিউনোথেরাপিতে তাদের সাফল্য উল্লেখযোগ্য। ব্যক্তিগত কেবিন ও আরামদায়ক সেবা চান এমন রোগীদের জন্য এটি আদর্শ।
এইচসিজি ক্যান্সার সেন্টার, ব্যাঙ্গালুরু
ভারতের বৃহত্তম ক্যান্সার কেয়ার নেটওয়ার্ক। তারা শুধু ক্যান্সার চিকিৎসায় বিশেষায়িত। জেনেটিক টেস্টিং ও পারসোনালাইজড ট্রিটমেন্টের মাধ্যমে রোগীর ডিএনএ প্রোফাইল অনুযায়ী ওষুধ নির্ধারণ করা হয়।
ফোর্টিস মেমোরিয়াল রিসার্চ ইনস্টিটিউট, গুরগাঁও
প্রযুক্তিগতভাবে ভারতের অন্যতম উন্নত হাসপাতাল। এখানে অভিজ্ঞ অঙ্কোলজিস্টদের বিশাল দল কাজ করেন। বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট ও লিভার ক্যান্সারের চিকিৎসায় তাদের সাফল্যের হার অনেক বেশি।
ভারতে চিকিৎসার জন্য অবশ্যই মেডিকেল ভিসা নিতে হবে। যাওয়ার আগে হাসপাতালের ওয়েবসাইট বা হোয়াটসঅ্যাপে রিপোর্ট পাঠিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করা উচিত। হাসপাতালের আশপাশে বাংলাদেশি খাবারের হোটেল ও কম ভাড়ায় থাকার গেস্ট হাউস পাওয়া যায়।
logo-1-1740906910.png)