প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে ২১ জুন দুপুরে ঢাকা থেকে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর পৌঁছাচ্ছেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে তিনি দুই দিনের সফরে যাচ্ছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ সফরে দুটি সমঝোতা স্মারক এবং দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ সই হতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু করা এবং অনিয়মিত কর্মীদের বৈধতার সুযোগ সৃষ্টি। পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়গুলোও আলোচনায় আসবে।
প্রধানমন্ত্রী ২২ জুন দুপুরের পর কুয়ালালামপুর থেকে চীনের দালিয়ানে যাবেন। তিনি ২৩ থেকে ২৬ জুন চীন সফর শেষে ঢাকায় ফিরবেন। সফর উপলক্ষে কুয়ালালামপুরের পথে পথে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও মালয়েশিয়ার পতাকা শোভা পাচ্ছে।
তারেক রহমান কুয়ালালামপুরের শাংরি-লা হোটেলে অবস্থান করবেন। সেখানে মালয়েশিয়া বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা, ব্যবসায়ী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় হতে পারে। এছাড়া মালয়েশিয়ার বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধি দলে থাকছেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ প্রায় ২৭ জন সদস্য। পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন, প্রতিনিধি দল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে।
২২ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তারেক রহমানের একান্ত বৈঠক হবে। পরে দুই দেশের সরকারপ্রধানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, কৃষি, শিক্ষা ও জনযোগাযোগ বিষয়ে আলোচনা হবে।
মালয়েশিয়া বিএনপির সহসভাপতি শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, এই সফর কেবল কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং মালয়েশিয়ায় বসবাসরত লাখো বাংলাদেশির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের বিরাট সুযোগ।
logo-1-1740906910.png)