২০২৫ সাল বিশ্ব পর্যটনে নতুন রেকর্ড গড়েছে। মহামারির পর মানুষ আবার ভ্রমণে ফিরেছে, আর জনপ্রিয় দেশগুলোতে পর্যটকের ভিড় বেড়েছে। এভিয়েশন এ২জেড প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকৃত ১০ দেশের মধ্যে ইউরোপ শীর্ষস্থান দখল করেছে।
ফ্রান্স
প্রথম স্থানে রয়েছে ফ্রান্স, যেখানে ২০২৫ সালে প্রায় ৮৯.৪ মিলিয়ন পর্যটক গেছেন। প্যারিসের আইফেল টাওয়ার, ল্যুভর মিউজিয়াম, ফ্রেঞ্চ রিভিয়েরা এবং লোয়ার ভ্যালির দুর্গগুলো পর্যটকদের আকর্ষণ করেছে। উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা ও বিখ্যাত ফরাসি খাবার দেশটিকে আরো জনপ্রিয় করেছে।
স্পেন
দ্বিতীয় স্থানে স্পেন, যেখানে গেছেন ৮৩.৭ মিলিয়ন পর্যটক। বার্সেলোনার গাউদির স্থাপত্য, মাদ্রিদের প্রাডো মিউজিয়াম, গ্রানাডার আলহাম্ব্রা প্রাসাদ এবং নানা উৎসব যেমন লা টমাটিনা ও রানিং অব দ্য বুলস দেশটিকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র
তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যেখানে গেছেন ৭৯.৩ মিলিয়ন পর্যটক। নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, সান ফ্রান্সিসকো, হাওয়াই ও লাস ভেগাস পর্যটকদের আকর্ষণ করেছে। ডিজনি ওয়ার্ল্ড ও ডিজনিল্যান্ডের মতো থিম পার্কও বড় ভূমিকা রেখেছে।
চীন
চতুর্থ স্থানে চীন, যেখানে গেছেন ৬৫.৭ মিলিয়ন পর্যটক। গ্রেট ওয়াল, ফরবিডেন সিটি, উচ্চগতির ট্রেন এবং বৈচিত্র্যময় খাবার দেশটিকে জনপ্রিয় করেছে।
ইতালি
পঞ্চম স্থানে ইতালি, যেখানে গেছেন ৬৪.৫ মিলিয়ন পর্যটক। রোম, ভ্যাটিকান, ভেনিসের খালপথ এবং ইতালীয় খাবার দেশটির প্রধান আকর্ষণ।
তুরস্ক
ষষ্ঠ স্থানে তুরস্ক, যেখানে গেছেন ৫১.২ মিলিয়ন পর্যটক। ইস্তাম্বুলের হায়া সোফিয়া, ব্লু মসজিদ, ক্যাপাডোসিয়ার হট এয়ার বেলুন এবং ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল দেশটিকে জনপ্রিয় করেছে।
মেক্সিকো
সপ্তম স্থানে মেক্সিকো, যেখানে গেছেন ৪৫ মিলিয়ন পর্যটক। রিভিয়েরা মায়া, মেক্সিকো সিটি, আজটেক নিদর্শন এবং ডে অব দ্য ডেড উৎসব দেশটির বিশেষ আকর্ষণ।
থাইল্যান্ড
অষ্টম স্থানে থাইল্যান্ড, যেখানে গেছেন ৩৯.৮ মিলিয়ন পর্যটক। ব্যাংককের গ্র্যান্ড প্যালেস, ফুকেটের সমুদ্র সৈকত এবং থাই খাবার দেশটিকে জনপ্রিয় করেছে।
জার্মানি
নবম স্থানে জার্মানি, যেখানে গেছেন ৩৯.৬ মিলিয়ন পর্যটক। বার্লিন ওয়াল, মিউজিয়াম আইল্যান্ড, মিউনিখের অক্টোবেরফেস্ট এবং ক্রিসমাস মার্কেট দেশটির প্রধান আকর্ষণ।
যুক্তরাজ্য
দশম স্থানে যুক্তরাজ্য, যেখানে গেছেন ৩৯.৪ মিলিয়ন পর্যটক। লন্ডনের ব্রিটিশ মিউজিয়াম, বাকিংহাম প্যালেস, এডিনবার্গ ক্যাসেল এবং সাহিত্যিক ঐতিহ্য দেশটিকে জনপ্রিয় করেছে।
logo-1-1740906910.png)