Logo
×

Follow Us

এশিয়া

মালয়েশিয়ায় অভিবাসী চোরাচালান ঠেকাতে ১১ জন গ্রেপ্তার

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫১

মালয়েশিয়ায় অভিবাসী চোরাচালান ঠেকাতে ১১ জন গ্রেপ্তার

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ বিশেষ অভিযানে ইন্দোনেশীয় অভিবাসী চোরাচালান সিন্ডিকেটের কার্যক্রম ভেস্তে দিয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য স্টারে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, ২৫ এপ্রিল গোম্বাক ও সেলাতান টার্মিনালে একযোগে অভিযান চালিয়ে মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।  

অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাহাবান জানান, গোম্বাক টার্মিনালে দুই পুরুষ ও দুই নারী ইন্দোনেশীয় নাগরিককে আটক করা হয়। তাদের সঙ্গে একজন পুরুষও ধরা পড়ে, যিনি সিন্ডিকেটের পরিবহন সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছিলেন। অন্যদিকে সেলাতান টার্মিনালে আরো তিন পুরুষ ও তিন নারীকে আটক করা হয়। অভিযানে ব্যবহৃত একটি গাড়িও জব্দ করা হয়েছে।  

তদন্তে জানা গেছে, সিন্ডিকেটটি আগে সমুদ্রপথ ব্যবহার করলেও এখন বিমান ও স্থলপথে বহুস্তরীয় রুট তৈরি করেছে। অনেক অভিবাসীকে কালো তালিকাভুক্ত করা থাকায় তারা সরাসরি ফ্লাইট এড়িয়ে সিঙ্গাপুর হয়ে থাইল্যান্ডের হাতইয়াই শহরে পৌঁছায়। সেখানে নিরাপদ বাড়িতে রাখা হয় এবং পরে অবৈধভাবে বুকিত বুংগা সীমান্ত দিয়ে কেলান্তানে প্রবেশ করানো হয়। এরপর রাতের বাসে তাদের রাজধানীতে পাঠানো হতো।  

সিন্ডিকেটটি এক ইন্দোনেশীয় নাগরিকের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছিল। হাতইয়াই-ভিত্তিক এ নেটওয়ার্কে বিভিন্ন এজেন্ট কাজ করত, যারা আগমন, থাকার ব্যবস্থা এবং পাসপোর্টে ভুয়া সিল দেওয়ার দায়িত্ব পালন করত। আটককৃতদের বয়স ২৭ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং প্রত্যেকে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের জন্য ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার রিঙ্গিত পরিশোধ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।  

অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বাসের টিকিট কেনা ও যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে সিন্ডিকেটকে সহায়তা করেছে। তাদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। আটক সবাইকে অভিবাসন আটক কেন্দ্রে রাখা হয়েছে এবং মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান আইন ২০০৭ এবং অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ অনুযায়ী মামলা করা হবে।  

জাকারিয়া শাহাবান বলেন, “আমরা মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান রোধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জনগণকে সতর্ক থাকতে হবে এবং সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে রিপোর্ট করতে হবে। কেউ যদি অপরাধীদের আশ্রয় বা সহযোগিতা করে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Logo