পাঁচ দিনে ১৪শর বেশি ইন্দোনেশিয়ান প্রতারণা চক্র থেকে মুক্ত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ২৩:৩১
কম্বোডিয়ায় অনলাইন প্রতারণা ব্যবসায় নতুন দমন অভিযান শুরু হওয়ার পর মাত্র পাঁচ দিনে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি ইন্দোনেশিয়ান নাগরিক প্রতারণা সিন্ডিকেট থেকে বেরিয়ে এসেছে। জাকার্তা জানিয়েছে, নমপেন সরকারের প্রতিশ্রুতির পর এই পরিবর্তন ঘটেছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন হাব থেকে পরিচালিত এসব প্রতারণা চক্র বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জাল প্রেমের সম্পর্ক ও ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগের ফাঁদে ফেলে প্রতি বছর কয়েকশ কোটি ডলার হাতিয়ে নেয়। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, শুধু কম্বোডিয়াতেই অন্তত এক লাখ মানুষ এই শিল্পে কাজ করছে।
ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাস জানিয়েছে, ১৬ থেকে ২০ জানুয়ারির মধ্যে ১ হাজার ৪৪০ জন নাগরিক প্রতারণা সিন্ডিকেট থেকে বের হয়ে দূতাবাসে সাহায্যের জন্য পৌঁছেছেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ছিল সবচেয়ে বড় দিন, যখন একসঙ্গে ৫২০ জন দূতাবাসে হাজির হন। দূতাবাস আশঙ্কা করছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপের কারণে আরো অনেক নাগরিক সেখানে আসতে পারেন।
দূতাবাস জানিয়েছে, অনেকের কাছে পাসপোর্ট নেই এবং তারা বৈধ অভিবাসন অনুমতি ছাড়াই কম্বোডিয়ায় অবস্থান করছেন। তাই তাদের দেশে ফেরাতে কাগজপত্র তৈরি ও ওভারস্টে জরিমানা মওকুফে দূতাবাস সহায়তা করছে।
গত বছর নমপেন দূতাবাস ৫ হাজারের বেশি কনস্যুলার সেবা দিয়েছে, যার ৮০ শতাংশই ছিল প্রতারণা সিন্ডিকেটে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করা ইন্দোনেশিয়ানদের জন্য।
সম্প্রতি কম্বোডিয়া চীনা বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী চেন ঝিকে গ্রেফতার করে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। তিনি ইন্টারনেট প্রতারণা পরিচালনার অভিযোগে অভিযুক্ত। মার্কিন কর্তৃপক্ষও তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, চেনের প্রত্যর্পণ প্রতারণা অপারেটরদের মধ্যে আইনি ফলাফলের ভয় সৃষ্টি করেছে। এর ফলে কিছু অপারেটর মানুষ মুক্তি দেওয়া বা কমপাউন্ড ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
logo-1-1740906910.png)