Logo
×

Follow Us

এমসি এক্সপ্লেইনার

যুদ্ধের কারণে সংকট বাড়ছে; খুঁজতে হবে নতুন শ্রমবাজার

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ২১:২৭

যুদ্ধের কারণে সংকট বাড়ছে; খুঁজতে হবে নতুন শ্রমবাজার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মী পাঠানোর হার নেমে এসেছে অর্ধেকে। অনেকেই বাধ্য হয়ে দেশে ফিরছেন।

বিগত বছরগুলোতে বিদেশে যাওয়া কর্মীদের ৮২ শতাংশই গিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে। দেশের মোট প্রবাসী আয়ের ৪৬ শতাংশ এসেছে এই অঞ্চল থেকে। বর্তমানে প্রায় ৫০ লাখেরও বেশি বাংলাদেশি প্রবাসী সেখানে অবস্থান করছেন। কিন্তু যুদ্ধের কারণে এবারের মার্চ মাসে বিদেশ যাওয়ার কর্মসংস্থান ছাড়পত্র ৫০ শতাংশ কমেছে। এমনই তথ্য উপাত্ত উঠে এসেছে রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট রামরুর এক প্রতিবেদনে। 

সৌদি আরবের একটি ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ তুলে ধরে রামরুর প্রতিবেদনে বলা হয়, যেখানে আগে ৪০০ কর্মী কাজ করতেন, এখন ছাঁটাইয়ের পর রয়েছেন মাত্র ৬৫ জন।

সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ প্রকল্পগুলো বাধাগ্রস্ত হলে কর্মসংস্থান আরো কমবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসকারী প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশির জীবন ও জীবিকা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

একমুখী শ্রমবাজারের বিপদের কথা তুলে ধরে অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন সরকারকে এখন থেকেই নতুন নতুন শ্রমবাজার খুঁজতে হবে। 

একই সাথে বন্ধ থাকা শ্রমবাজার আবার খোলাও নতুন সরকারের অন্যতম প্রাইয়োরিটি হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তারা। অভিভাসন বিশেষজ্ঞরা জানালেন, কোন দেশে চাকরির সুবিধা কেমন, কোন কাজে দক্ষ লোকের চাহিদা বেশি, সেটা ঠিক করে, ব্যাপক হারে বিদেশ যেতে চাওয়াদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। জেলা-উপজেলায় টিটিসিগুলো আধুনিকায়ন করতে হবে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ বাহরাইন বা মালয়েশিয়ার মতো দেশে নতুন ভিসা খোলা যায়নি, দূতাবাস বা মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা এবিষয়ে আশানুরূপ নয়। দেশের নতুন সরকার শ্রমবাজারের সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হবে, বিদেশ যেতে চাওয়া কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেবে এমনটাই আশা এই দুই অভিবাসন বিশেষজ্ঞের।

Logo