Logo
×

Follow Us

মধ্যপ্রাচ্য

দুবাইয়ে ভিসা আইন ভঙ্গের জরিমানা মওকুফের উপায়

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ আগস্ট ২০২৬, ১৪:৪০

দুবাইয়ে ভিসা আইন ভঙ্গের জরিমানা মওকুফের উপায়

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিসা আইন ভঙ্গের কারণে জরিমানা গুনতে হয় অনেক প্রবাসীকে। তবে এখন দুবাইয়ে বিশেষ সেবা চালু হয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে জরিমানা কমানো বা সম্পূর্ণ মওকুফের আবেদন করা যায়।

ভিসা আইন ভঙ্গের মধ্যে রয়েছে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও অবস্থান করা, ভিসা বাতিলের পর নির্ধারিত সময়ের বাইরে থাকা কিংবা ভুয়া ভিসা ব্যবহার করা। ভিজিট ভিসায় কোনো গ্রেস পিরিয়ড নেই, ফলে মেয়াদ শেষ হলে প্রতিদিন ৫০ দিরহাম জরিমানা দিতে হয়। রেসিডেন্স ভিসাধারীরা অবশ্য ভিসা বাতিল বা মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর ৩০ দিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ড পান।

দুবাইয়ের জেনারেল ডিরেক্টরেট অব রেসিডেন্সি অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাফেয়ার্স (GDRFA) জানিয়েছে, জরিমানা মওকুফের আবেদন করতে হলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।

- জরিমানার পরিমাণ কমপক্ষে ৪ হাজার দিরহাম হতে হবে।

- পর্যটন, ভিজিট বা রেসিডেন্স ভিসায় অতিরিক্ত অবস্থানকারীরা আবেদন করতে পারবেন।

- স্বাস্থ্য সমস্যা, চাকরি হারানো বা অন্য কোনো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে ভিসা ভঙ্গ হলে এবং তার প্রমাণপত্র থাকলে আবেদন করা যাবে।

- আর্থিক সংকটে জরিমানা পরিশোধ অসম্ভব হলে আবেদন করা যাবে।

আবেদনকারীর পাসপোর্টের কপি, ভিসা পৃষ্ঠা, ভিসা ভঙ্গের কারণ ও জরিমানা পরিশোধে অক্ষমতার ব্যাখ্যা সম্বলিত চিঠি এবং প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। প্রয়োজনে ফাইনস কমিটি অতিরিক্ত কাগজ চাইতে পারে।

আবেদন করতে হলে আমের কাস্টমার হ্যাপিনেস সেন্টারে যেতে হবে। সেখানে টোকেন নিয়ে অপেক্ষা করতে হবে এবং সব কাগজপত্রসহ আবেদন জমা দিতে হবে। সেবার জন্য প্রায় ৩৯০ দিরহাম ফি দিতে হয়, তবে কেন্দ্রভেদে ভিন্ন হতে পারে।

এছাড়া সরাসরি GDRFA অফিসেও আবেদন করা যায়। সেখানে আবেদন জমা দিলে কর্মকর্তারা তা পর্যালোচনা করবেন এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত তথ্য চাইতে পারেন। যদি স্পনসর ব্যক্তি হন, তবে ১৫.৭৫ দিরহাম ফি দিতে হয়।

আল আওয়ির সেন্টারে সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এবং শুক্রবার সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ও বিকেল ২টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সেবা পাওয়া যায়।

সব কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর GDRFA আবেদন পর্যালোচনা করবে। সময়সীমা নির্দিষ্ট নয়, কারণ প্রতিটি কেসের জটিলতা অনুযায়ী সময় লাগতে পারে। তবে সঠিক কাগজপত্র ও প্রমাণপত্র জমা দিলে স্বাস্থ্য সমস্যা, চাকরি হারানো বা আর্থিক সংকটের কারণে জরিমানা কমানো বা ছাড় পাওয়া সম্ভব।

Logo